বিশ্বজনীন অবস্থান-নির্ণায়ক ব্যবস্থা বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমে (জিপিএস) ত্রুটির কারণে গোটা বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থায় সাময়িক ত্রুটি দেখা দিতে পারে। শনিবার যেকোনো সময় এটি হতে পারে বলে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে।
এর আগে ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালে প্রবেশের সময় এই সমস্যা হয়েছিল।
এই ব্যবস্থা নির্ভর করে একটি অ্যাটমিক ঘড়ির ওপর। ১৯৮০ সালের ৬ জানুয়ারি চালু হয়েছিল ওই ঘড়িটি। ১৯৯৯ সালের ৬ এপ্রিল ঘড়ির কাঁটা জিরোতে চলে এসেছিল। শুক্রবার মধ্যরাত নাগাদ আবার জিরোতে আসতে পারে।
ওই ঘড়ির সিগন্যাল ব্যবহার করে জিপিএস প্রযুক্তি। যার কারণে পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও উদ্ভিদের অবস্থান নির্ণয় করা যায়। সেই ঘড়ির দম ফুরালে ভূপৃষ্ঠে ঠিক কোন জায়গায় আপনি দাঁড়িয়ে আছেন, তার নির্ণয় করতে ঝামেলা হবে।
এই জিপিএসের উপর নির্ভরশীল ইন্টারনেট। নির্ভরশীল নেট-ব্যাংকিং ব্যবস্থা। নির্ভরশীল পৃথিবীর বিভিন্ন কক্ষপথে থাকা বিভিন্ন কৃত্রিম উপগ্রহ।
ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে ঠিক রাখতে বিজ্ঞানীরা অবশ্য ইতিমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। যার কারণে বড় ধরনের ত্রুটি নাও হতে পারে।
যেভাবে কাজ করে জিপিএস সিস্টেম: পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা ৩০টি স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক সিস্টেম এই জিপিএস। এটি মূলত তৈরি করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর জন্য। কিন্তু পরে সেটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এখন মোবাইল ফোনেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যের অবস্থান শনাক্ত করা যায়।
জিপিএস প্রযুক্তির ওপর ‘Satnav’ ছাড়াও আরও বিভিন্ন প্রযুক্তি নির্ভর করে। পাইলট, নাবিক থেকে শুরু করে যোগাযোগের বিভিন্ন কাজে এই জিপিএস ব্যবহার করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরি থেকে এই প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল সকল কার্যক্রমের ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে।
