দেড়শ বছর আগে সাতজনে মিলে আন্দোলন করে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন মৌলবাদীদের ভিত। শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি। এডিনবার্গ ইউনিভার্সিটির মেডিসিন বিভাগ থেকে তাদের বাদই পড়তে হয়। এতদিন বাদ এসে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়টি ওই সাত নারীকে মরণোত্তর গ্র্যাজুয়েটের স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আন্দোলনকারীদের মধ্যে ছিলেন সোফি জেক্স-ব্লেক, ম্যাটিলা চ্যাপলিন, এডিথ পেচেই, ইসাবেল থ্রন, হেলেন ইভান্স, মেরি অ্যান্ডারসন এবং এমিলি বোভেল।
বিবিসি জানিয়েছে, ব্রিটেনে তৎকালীন সময়ে নারী অধিকার সেভাবে ছিল না। চিকিৎসা শিক্ষায় অবস্থা ছিল আরও খারাপ। এডিনবার্গে পড়ার সময় ওই শিক্ষার্থীরা পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের বলি হয়ে কোর্স শেষ হওয়ার আগে পড়ালেখা ছাড়তে বাধ্য হন।
বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৮৯৪ সাল পর্যন্ত মেয়েদের ডাক্তারি পড়ার অনুমতি দেয়নি। সাত নারীর আন্দোলনের ২৫ বছর পর মেয়েরা প্রথম সেই অনুমতি পায়।
জুলাইতে এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫০ বছর পূর্তি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই উপলক্ষে পূর্বের ‘ভুল’ সংশোধন করতে চাইছে।
সাত নারীর পরিবারের লোকজন সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কোনো তথ্য নেই বললেই চলে। আত্মীয়দের খুঁজতে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। তাদের অনুষ্ঠানে হাজির হতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
