ধর্ষণ চাপা দিতে কিশোরীকে জোর করে বিয়ে

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ১২:০৮ এএম

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ওই কিশোরীকে ধর্ষকের সঙ্গে বাল্যবিয়েতে বাধ্য করার অভিযোগে উঠেছে।

অভিযুক্ত ধর্ষক, কাজীর সহকারীসহ সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার সস্তাপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে সদর উপজেলার ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকায় ওই কিশোরীকে (১৪) প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া নাসির মিয়া ধর্ষণ করে। গুরুতর অবস্থায় ওই কিশোরী বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কিশোরীর পরিবার জানায়, তারা থানায় মামলা করতে গেলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বাধা দেয়। তারা সোমবার রাতে ওই এলাকার কাজীর সহকারী ফিরোজ আলমকে এনে ওই কিশোরীকে নাসিরের সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে পড়ানোর উদ্যোগ নেয়।

বিষয়টি এলাকার লোকজন জানতে পেরে পুলিশ খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে ধর্ষক সস্তাপুর এলাকার নাসির মিয়া (২৫), কাজীর সহকারী ফিরোজ আলম (৪৫), সস্তাপুরের জুবায়ের (২৩), খোরশেদ আলম খুশু (৪৫), আনোয়ার হোসেন (৪৫), মনির হোসেন (৪৬), আরিফুর রহমানকে (৩৫) আটক করে।

 ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক আব্দুল আজিজ দেশ রূপান্তরকে জানান, কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাল্য বিয়ে পড়ানোর অভিযোগে কাজীর সহকারী ফিরোজ আলমসহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত