এ প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী আশনা হাবিব ভাবনা মাইম দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। অনেকে ভাবছেন, কেন টিভি নাটক ও চলচ্চিত্র ছেড়ে ভাবনা মাইমের দিকে ঝুঁকলেন? আসলে ঘটনাটি বাস্তবে ঘটেনি, ‘বৈশাখ মাইম ট্রুপ’ নামে একটি নাটকে সম্প্রতি অভিনয় করেছেন তিনি। আর সেই নাটকটিতেই এমন ঘটনা ঘটে। এ প্রসঙ্গ ধরেই তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ
‘বৈশাখ মাইম ট্রুপ’ নাটকটি নিয়ে কিছু বলুন...
এ নাটকে আমি যে চরিত্রটি করেছি সে মাইমশিল্পকে তিনি এতটাই ভালোবেসে ফেলে যে নিজের প্রিয় স্কুটিটাও বিক্রি কওে দেয় মাইমের নতুন প্রযোজনা দাঁড় করানোর জন্য। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন হৃদি হক। আরও অভিনয় করেছেন মনোজ। পহেলা বৈশাখে এটি এনটিভিতে প্রচার হবে।
এ নাটকের কয়েকটি স্থিরচিত্র আপনার ভেরিফাইড ফেইসবুকে শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন ‘নতুন চরিত্র’। কেন?
ফেইসবুকে ছবিগুলো শেয়ার করার পর অনেক অনুসারী আমাকে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন করছের। আসলেই এটি নতুন চরিত্র।
কারণ এর আগে বোবা, অন্ধ, যৌনকর্মী, পাগলি চরিত্রে অভিনয় করলেও মাইমশিল্পী হিসেবে এটিই আমার প্রথম অভিনয়। এর আগে আমি মাহমুদ দিদারের রেড কার্পেট নাটকে একটি সিনে মাইম করেছিলাম। যদিও ওই নাটকে আমি একটি বোবার চরিত্র করেছিলাম। কিন্তু বৈশাখ মাইম ট্রুপে আমার চরিত্রের অনেকটা অংশ জুড়েই রয়েছে মাইম। ফলে এটি আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।
এই চরিত্রে আপনাকে কেন কাস্ট করা হলো?
এই প্রশ্ন আমি নিজেই নাটকের রচয়িতা ও পরিচালক হৃদি হককে করেছিলাম। তিনি বলেছেন, ‘মাইম আর ক্লাসিক্যাল নাচের মুভমেন্ট অনেকটাই একই ধরনের। তুমি যেহেতু ভালো নৃত্যশিল্পী, তাই আমার মনে হয়েছে তুমি পারবে চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে।’ তার কথায় আমি আরও ভরসা পাই। সেই সঙ্গে ভাবতে ভালো লাগে যেকোনো জটিল ও ভিন্ন ধরনের চরিত্র হলেই পরিচালকরা আমার কথা ভাবেন। এটা আমার জন্য খুবই আনন্দের।
চরিত্রটিতে নিজেকে মেলে ধরলেন কীভাবে?
এখন তো টিভি নাটকে রিহার্সাল হয় না। কিন্তু এই নাটকের জন্য আমি দুদিন রিহার্সাল করেছি। আমি মাইমের অংশে সীতার চরিত্র প্লে করেছি। তাই তার সাজ-পোশাক নিয়েও ভাবতে হয়েছে। আমার মুখে লাল রং দিয়ে লাভ চিহ্ন করা। এর মাধ্যমে আমার চরিত্রের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে চেয়েছি।
