দুজনই জাতীয় দলে অপরিহার্য অংশ ছিলেন। ইলিয়াস সানি প্রায় ছয় বছর ধরেই জাতীয় দলের বাইরে। নাসির অবশ্য সর্বশেষ খেলেছেন গেল বছর। চোটের কারণে ছিটকে যান। তবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে শেখ জামালের হয়ে খেলা এই দুই তারকা দারুণভাবে নিজেদের মেলে ধরেছেন। সোমবার সুপার লিগ পর্বে নাসির-সানির যুগলবন্দীতেই প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে হারিয়েছে শেখ জামাল।
ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করে ২৩৬ রানে গুটিয়ে যায় প্রাইম ব্যাংক। জবাব দিতে নেমে ৮ বল হাতে রেখে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে জয় তলে নেয় শেখ জামাল। সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে অপরাজিত থাকেন নাসির হোসেন। আর বল হাতে দারুণ খেলার পর ব্যাট হাতেও ফিফটি তুলে নেন ইলিয়াস সানি।
প্রাইম ব্যাংক ১ উইকেটে ১২১ রান করে ফেলার পরও ২৩৬ রানে গুটিয়ে যায়। ৩টি করে উইকেট নেন ইলিয়াস সানি ও তানবীর হায়দার। ২ উইকেট নেন সালাউদ্দিন শাকিল। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন আট নম্বরে নানা আরিফুল। ৫১ বলে ৭ ছক্কা ও ২ চারে করেন ৭৪ রান। রুবেল মিয়া ৬৬ ও নামান ওঝা খেলেন ৪৬ রানের ইনিংস।
এরপর শেখ জামালের হয়ে দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন ও ইলিয়াস সানি। ইমতিয়াজ ২৬ রান করে ফিরলেও ইদানিং ব্যাটসম্যান বনে যাওয়া সানি তুলে নেন ফিফটি। ১০৪ বলে ৪টি করে চার ১ ছক্কায় ৬৭ রান করেন। এদিকে চারে খেলতে নেমে নাসির তুলে নেন লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারে নিজের সপ্তম সেঞ্চুরি। ১১০ বলে ১২ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ১১২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। অলরাউন্ড নৈপুণ্যের জন্য ম্যাচসেরা হয়েছেন ইলিয়াস সানি।
