হাইকোর্টের লিখিত আদেশ

আমবাগানে পুলিশ থাকবে ম্যাজিস্ট্রেটদের অধীনে

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ০৩:০৩ এএম

আমে ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার ঠেকাতে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বড় বড় আমবাগানে পুলিশ মোতায়েন নয়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তদারকিতে পুলিশ তা নজরদারিতে রাখবে বলে আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। গত সপ্তাহে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসানের বেঞ্চ থেকে মৌখিক আদেশের পর রিট আবেদনকারী পক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতের বরাত দিয়ে আমবাগানগুলোতে সাত দিনের মধ্যে পুলিশ মোতায়েনের কথা বললেও, লিখিত আদেশে নির্বাহী হাকিমের সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নজরদারি করার নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে বলে গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘লিখিত আদেশে আমরা দেখতে পেয়েছি যে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তত্ত্বাবধানে পুলিশ বড় বড় আমবাগান নজরদারিতে রাখবে যাতে কেউ ক্ষতিকর রাসায়নিক প্রয়োগ করতে না পারে। আমরা মনে করি জনস্বার্থে হাইকোর্টের আদেশ সঠিক হয়েছে।’

এদিকে গত ৯ মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের করা আবেদন গতকাল প্রত্যাহার করে নিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

আমে ক্ষতিকর রাসায়নিক রোধে গত ৭ এপ্রিল মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে মনজিল মোরসেদের করা এক সম্পূরক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ মার্চ আদেশ দেয় হাইকোর্ট। পাশাপাশি ফলের বাজার, আড়তে রাসায়নিক মেশানো বন্ধ ও তা নজরদারি করতে সংশ্লিষ্ট জেলার প্রশাসন, পুলিশ ও র‌্যাবের সমন্বয়ে টিম গঠন করে পরিদর্শনের নির্দেশ দেয় আদালত। এক মাসের মধ্যে প্রতিটি মনিটরিং টিম হাইকোর্টের এই আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দেবে বলে আদেশে বলা হয়।

ফল পাকাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক বন্ধে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি রায় দিয়েছিল হাইকোর্ট। আমের মৌসুমকে সামনে রেখে ওই রায়ের আলোকে গত ৭ মার্চ একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়।

হাইকোর্টের লিখিত আদেশ

আমে ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার ঠেকাতে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বড় বড় আমবাগানে পুলিশ মোতায়েন নয়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তদারকিতে পুলিশ তা নজরদারিতে রাখবে বলে আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। গত সপ্তাহে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসানের বেঞ্চ থেকে মৌখিক আদেশের পর রিট আবেদনকারী পক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতের বরাত দিয়ে আমবাগানগুলোতে সাত দিনের মধ্যে পুলিশ মোতায়েনের কথা বললেও,লিখিত আদেশে নির্বাহী হাকিমের সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নজরদারি করার নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে বলে গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘লিখিত আদেশে আমরা দেখতে পেয়েছি যে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তত্ত্বাবধানে পুলিশ বড় বড় আমবাগান নজরদারিতে রাখবে যাতে কেউ ক্ষতিকর রাসায়নিক প্রয়োগ করতে না পারে। আমরা মনে করি জনস্বার্থে হাইকোর্টের আদেশ সঠিক হয়েছে।’

এদিকে গত ৯ মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের করা আবেদন গতকাল প্রত্যাহার করে নিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

আমে ক্ষতিকর রাসায়নিক রোধে গত ৭ এপ্রিল মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে মনজিল মোরসেদের করা এক সম্পূরক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ মার্চ আদেশ দেয় হাইকোর্ট। পাশাপাশি ফলের বাজার, আড়তে রাসায়নিক মেশানো বন্ধ ও তা নজরদারি করতে সংশ্লিষ্ট জেলার প্রশাসন, পুলিশ ও র‌্যাবের সমন্বয়ে টিম গঠন করে পরিদর্শনের নির্দেশ দেয় আদালত। এক মাসের মধ্যে প্রতিটি মনিটরিং টিম হাইকোর্টের এই আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দেবে বলে আদেশে বলা হয়।

ফল পাকাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক বন্ধে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি রায় দিয়েছিল হাইকোর্ট। আমের মৌসুমকে সামনে রেখে ওই রায়ের আলোকে গত ৭ মার্চ একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত