আবাহনীর আক্রমণভাগ রয়েছে দারুণ ছন্দে। চলতি প্রিমিয়ার লিগ ও এএফসি কাপ মিলিয়ে শেষ পাঁচ ম্যাচে ১৩ গোল করেছেন আবাহনীর আক্রমণভাগের সৈনিকরা।
আজ সেই আক্রমণভাগকেই পড়তে হচ্ছে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। এএফসি কাপের ‘ই’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে তারা আজ মোকাবিলা করবে ভারতের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন মিনারভা পাঞ্জাবের। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা পৌনে ৬টায়।
গতকাল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস। তার চোখে স্থানীয় ও ভিনদেশি ডিফেন্ডারের সম্মিলনে ভারত চ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ বেশ শক্তিশালী। আর সে রক্ষণভাগেই আজ ফাটল ধরাতে হবে দারুণ ছন্দে থাকা আবাহনীর ফরোয়ার্ডদের। দায়িত্বটা নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড সানডে চিজোবা, হাইতিয়ান স্ট্রাইকার কারভেন্স বেলফোর্ড এবং স্থানীয় ফরোয়ার্ড নাবিব নেওয়াজ জীবনের ওপর বর্তাচ্ছে। তবে লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে সাত গোলের থ্রিলারে ৪-৩ গোলে জেতা আবাহনীর ভাবনা নিজেদের রক্ষণের মনঃসংযোগ নিয়ে। শেখ জামালের সঙ্গে একটা সময় ৪-১ গোলে এগিয়ে থাকার পর ম্যাচটা ৪-৩-এ শেষ হওয়া নিয়েই মাথাব্যথা লেমসের।
পাঞ্জাব সম্পর্কে লেমস বলেন, ‘তারা অবশ্যই ভালো দল। বিশেষ করে রক্ষণটা বেশ শক্তিশালী। রক্ষণের শুরুটা তারা করে মাঝমাঠ থেকে। তবে আমাদের আক্রমণভাগও বেশ ছন্দে আছে। আমার বিশ্বাস, জয়ের ধারাটা অব্যাহত রেখে এগিয়ে যাবে দল।’
২০১৭-১৮ মৌসুমে প্রথমবারের মতো আই-লিগে নাম লিখিয়েই শিরোপা জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছিল মিনারভা পাঞ্জাব। তবে শেষ হতে চলা এবারের আই-লিগে তাদের অবস্থা বড্ড নাজুক। ১৯ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে ১১ দলের আসরে তাদের অবস্থান দশে। এএফসি কাপের প্রথম ম্যাচে ভারতের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইন এএফসির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র দিয়ে মিশন শুরু করে তারা। অন্যদিকে আবাহনী নেপাল চ্যাম্পিয়ন মানাং মার্সিয়াংদিকে ১-০ গোলে হারিয়ে শুরু করেছিল।
পাঞ্জাবের কোচ শচিন বাড়দে বলেন, ‘আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী; ছেলেরা আসলেই কঠোর পরিশ্রম করছে। আবাহনীর প্রতিটি খেলোয়াড়কে আমরা জানি। ভাবছি ওদের কীভাবে মোকাবিলা করব। আমরা ৩ পয়েন্টের জন্য খেলতে নামব।’
পাঞ্জাবের শক্ত রক্ষণ ভেঙে গোলের ধারাটা অব্যাহত রাখতে পারলেই এএফসি কাপের ইতিহাসে প্রথম টানা দ্বিতীয় জয় পাবে আবাহনী। তাতে পরের পর্বে যাওয়ার পথটাও সুগম হবে।
