কুষ্টিয়া সদর ও কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মাদক মামলার এক আসামিসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে কুষ্টিয়া সদরের বাড়াদী গ্রামের দাউদ আলীর ছেলে রফিক উদ্দিন (৩৫) মাদক কারবারি এবং আনুমানিক ৩২ ও ৩৬ বছর বয়সী বাকি দুজন জলদস্যু বলে দাবি করেছে পুলিশ। তাদের গলার নিচের দিকে গুলির ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। দেশ রূপান্তরের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে বিস্তারিত।
কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি নাসির উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে দুই দল মাদক
ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি চলছে খবর পেয়ে পুলিশের দুটি দল ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশ গুলির মুখে পড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে গোলাগুলি থেমে গেলে রফিককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, রফিক চিহ্নিত মাদকের কারবারি। তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানাসহ বিভিন্ন থানায় বেশ কয়েকটি মাদকের মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন ও ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।
কক্সবাজার (পেকুয়া-কুতুবদিয়া) : কুতুবদিয়া থানার ওসি দিদারুল ফেরদৌস বলেন, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুতুবদিয়ার লেমশীখালী ইউনিয়নের দরবারঘাটের বেড়িবাঁধে দুই দল জলদস্যুর মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলির মুখে পড়ে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলি থেমে গেলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই অজ্ঞাতনামার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখানে একটি দেশি লম্বা বন্দুক, দুই রাউন্ড তাজা গুলি ও ১০টি গুলির খোসা যাওয়া যায়। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় কুতুবদিয়া থানা পুলিশের দুই কনস্টেবল আহত হয়েছেন। আহত কনস্টেবল সাইদুল ইসলাম ও তাপস বড়–য়াকে কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
