ধর্ষণ মামলার আসামি কোচিং মালিক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০১৯, ০৪:০১ এএম

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় গতকাল সোমবার র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্ধুকযুদ্ধে ধর্ষণ মামলার এক আসামি মারা গেছেন। নিহত সাইফুল ইসলাম (২৭) উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ পূর্ব মুহুরীপাড়ার আবদুস সোবহানের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করতেন। তার স্বজনরা বলছেন, সাইফুল দোষী হলে প্রচলিত আইনে আদালতের মাধ্যমে বিচার হলে স্বস্তি পেতেন তারা।

র‌্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মাসকুর রহমান জানান, ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি সাইফুল উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় অবস্থান করছে জানতে পেরে ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে অভিযান চালানো হয়। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সাইফুল তার সহযোগীদের নিয়ে গুলি চালায়। র‌্যাব পাল্টা গুলি চালালে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে সাইফুলের লাশ পাওয়া যায়। সেখান থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। লোহাগাড়া থানার ওসি (তদন্ত) জহির উদ্দিন জানান, গুলিবিদ্ধ লাশটি থানা হেফাজতে আনার পর ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সাইফুলের চাচা নুরুল আলম বলেন, ‘আমার ভাতিজা সাইফুল ছোটবেলা থেকে কোনো ধরনের অপকর্মে লিপ্ত ছিল না। তার পরও সে দোষী হলে দেশের প্রচলিত আইনে আদালতের মাধ্যমে বিচার হলে মানসিক স্বস্তি পেতাম।’

উত্তর আমিরাবাদ সৃজনশীল কোচিং সেন্টারের মালিক সাইফুল গত ১২ এপ্রিল নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে হাত-পা বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে তিন দিন পর লোহাগাড়া থানায় সাইফুলকে আসামি করে মামলা করেন ওই ছাত্রীর মা। এরপর কোচিং সেন্টারটি বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত