বুড়িগঙ্গা দূষণ রোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে : হাইকোর্ট

আপডেট : ০৩ মে ২০১৯, ০৩:৩৯ এএম

২০১১ সালে দেওয়া এক রায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বুড়িগঙ্গার পানি  দূষণ রোধে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক সম্পূরক আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয় বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ।

ওয়াসার এমডি, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিআইডব্লিউটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক (পোর্ট অ্যান্ড ট্রাফিক), ঢাকার জেলা প্রশাসক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, ডেমরা ও কোতোয়ালি থানার ওসিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এ বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন এইচআরপিবির সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এএসএম নাজমুল হক।

পরে মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের জানান, জনস্বার্থে করা এক রিট মামলার প্রেক্ষিতে বুড়িগঙ্গার পানি দূষণরোধে হাইকোর্ট ২০১১ সালে এক রায়ে বেশকিছু নির্দেশনা দেয়। এর মধ্যে বুড়িগঙ্গার ভেতরে যেসব স্যুয়ারেজ লাইন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল লাইন আছে তা ছয় মাসের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তীরে যাতে ময়লা আবর্জনা ফেলা না হয় সেজন্য সচেতনতামূলক পদক্ষেপের কথাও বলা হয় ওই রায়ে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্টরা এ নির্দেশনাগুলো পুরোপুরি পালন না করায় এ সম্পূরক আবেদনটি করা হয়েছিল। শুনানি নিয়ে আদালত ওই রায়ে যেসব নির্দেশনা দেয়, তা প্রতিপালনে সংশ্লিষ্টরা কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে সে ব্যাপারে দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন চেয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য ২০ মে দিন ধার্য করেছে আদালত।

বুড়িগঙ্গার পানি দূষণরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ২০১০ সালে এইচআরপিবির পক্ষে হাইকোর্টে রিট আবেদনটি করা হয়। সেই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১১ সালের ১ জুন রায় দেয় হাইকোর্ট।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত