চুয়াডাঙ্গায় বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন

আপডেট : ০৪ মে ২০১৯, ০৩:১৪ এএম

চুয়াডাঙ্গায় ত্রিভুজ প্রেমের কারণে মোমিন হোসেন (২২) নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। পরে লাশ গুম করতে নদীতে ফেলেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি বন্ধু সাফায়েত।
গ্রেপ্তারের পর গতকাল শুক্রবার রাতে পুলিশ সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মোমিনের মরদেহ উদ্ধার করে। মোমিন আলোকদিয়া গ্রামের দিলু ম-লের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মোমিন ও সাফায়েত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দিনে-রাতে বেশিরভাগ সময়ই দুজন একসঙ্গে চলাফেরা করত। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তাদেরকে একসঙ্গে দেখা গেলেও রাতে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয় মোমিন।
নিহতের দাদা আসমান আলী বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে নিখোঁজের পর শুক্রবার সকালে মোমিনের রক্তমাখা জুতা মাথাভাঙ্গা নদীর পাড় থেকে উদ্ধার হয়। তার সন্ধান জানতে তার বন্ধু সাফায়েতকে জিজ্ঞাসা করা হলে মোমিন ঢাকায় চলে গেছে বলে আমাদেরকে জানায়। বিষয়টি সন্দেহে হলে আমরা পুলিশকে খবর দিই।
সদর থানার ওসি আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে সন্দেহভাজন সাফায়েতকে আটক করি। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে তার বন্ধু মোমিন হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মোমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সাফায়েত স্বীকার করেছে গ্রামের এক স্কুলছাত্রীকে ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিবাদ দেখা দেয়। এ কারণে মোমিনকে খুনের পরিকল্পনা করে সাফায়েত।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত