অনেকেই এমন আছেন যারা বেশ কিছু অদ্ভুত জিনিস বা কুসংস্কারে বিশ্বাস করেন। মনে করেন সেইসব মেনে চললে তাদের ভাগ্য ফিরবে। বলিউডের তারকারাও কম যান না। চলুন জেনে নিই কয়েকজন সেলিব্রিটি কী ধরণের কুসংস্কার মেনে চলেন।
শাহরুখ খান : বলিউডের বাদশা ‘৫৫৫’ নম্বর নিয়ে অবসেসড। তার যে কোনো গাড়িতে তিনটে পাঁচ থাকবেই। ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ ছবিতে শাহরুখ যে বাইকটা চালিয়েছিলেন তার নাম্বার প্লেটে এই সংখ্যা উপস্থিত ছিল।
শিল্পা শেট্টি : শিল্পা শেট্টি আইপিএল টিম রাজস্থান রয়্যালস-এর মালিক। যে দিন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থাকে সেদিন শিল্পা হাতে দুটো ঘড়ি পরে থাকেন। এছাড়াও যখন ওঁর টিম ব্যাট করে উনি পা সোজা করে বসেন। বিপরীত টিম ব্যাট করার সময় উনি পা ক্রস করে বসেন।
অজয় দেবগণ : নিজে কোনরকম কুসংস্কারে বিশ্বাসী নন। কিন্তু তার মায়ের ইচ্ছা অনুয়াযী সারনেম থেকে ‘A’ অক্ষরটা বাদ দেন | ২০০৮ সালে একজন জ্যোতিষী অজয়ের মাকে এই উপদেশ দিয়েছিলেন।
বিপাশা বসু : ‘কু-দৃষ্টি’ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রতি শনিবার নিজের গাড়ি এবং বাড়ির দরজায় লঙ্কা-লেবু লাগান। এই প্রথা প্রথম বিপাশার মা চলু করেছিলেন, যা বিপাশা আজও মেনে চলেন।
অমিতাভ বচ্চন : এই কিংবদন্তী অভিনেতার ভক্ত হলে জানবেন উনি ক্রিকেট এবং ভারতীয় ক্রিকেট টিমের বড় ফ্যান। কিন্তু উনি কোনদিন লাইভ টেলিকাস্ট দেখেন না। উনি মনে করেন ক্রিকেট খেলা দেখতে বসলেই কোনো অকল্যাণ ঘটবে। এছাড়াও উনি জ্যোতিষে বিশ্বাস করেন। হাতে একটা বড় পোখরাজ পাথর পরতে দেখা যায় বচ্চনকে।
অক্ষয় কুমার : খিলাড়ি কুমার মনে করেন তার ছবি মুক্তির দিন নিজে মুম্বাইতে থাকলে তা হিট হবে না। ফলে ছবি মুক্তির কয়েকদিন আগেই উনি বিদেশে চলে যান।
বিদ্যা বালন : এই অভিনেত্রী আবার পাকিস্তানে তৈরি কাজল চোখে না লাগিয়ে বাড়ি থেকে বের হন না। বিদ্যা যে কাজল ব্যবহার করেন তার নাম আবার হাসমি কাজল।
দীপিকা পাড়ুকোন : বলিউডের অন্যতম সফল নায়িকাদের মধ্যে একজন তিনি। যে কোনো ছবি মুক্তি পাওয়ার আগে এবং পরে উনি সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে পুজো দিতে যান।
