দিনভর ক্লান্তির পেছনে

আপডেট : ০৭ মে ২০১৯, ১২:২২ এএম

ঘুম বেশি হলে শরীরে ভর করে ক্লান্তি। বয়স অনুযায়ী ঘুমের সময় নির্ভর করে। তিন মাসের কম বয়সী বাচ্চাদের ঘুম প্রয়োজন ১৯ ঘণ্টা পর্যন্ত। ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্রাপ্তবয়স্কদের ন্যূনতম পাঁচ ঘণ্টা।যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন অনুসারে, প্রাপ্তবয়স্কদের ঘুম দরকার সাত থেকে নয় ঘণ্টা। কিন্তু এর বেশি ঘুম মানুষের শরীরের জট পাকিয়ে দেয়। এর ফলে দিনের বাকি সময় ক্লান্তি অনুভব হয়।

রক্তস্বল্পতা

আপনি যখন ডাক্তারের কাছে যান এবং সর্বদা ক্লান্ত বোধ করার কথা জানান, তখন তারা শুরুতেই অ্যানিমিয়া বা থাইরয়েড রোগের টেস্ট করাতে দিতে পারে। কারণ এসব রোগের কারণে ক্লান্তি লাগতে পারে। ঠান্ডা অনুভূত হওয়া, শরীরে ঝিমুনি আসা, মাথা ব্যথার মতো লক্ষণই দেখা দিতে পারে।

ক্রনিক পেইন

শরীরের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার কারণে সারা দিন বিছানায় শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করে।

প্রায়ই ফাইব্রোমালজিয়া, হাইপোথাইরয়েডিজম এবং রিউমোটাইড আর্থ্রাইটিসে ভোগা লোকজন বেশি ঘুমের প্রয়োজনবোধ করতে পারে এবং তা পর্যাপ্ত পরিমাণে না হলে ক্লান্তি লাগে তাদের।

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিসের কারণে রক্ত সঞ্চালন ঠিকঠাক মতো হয় না। রক্তের গ্লুকোজ বেশি থাকলে বা রক্তে অক্সিজেন কমে গেলে বা নিম্ন রক্তচাপ সৃষ্টি হলে ব্লাড সেল ঠিকঠাক মতো কাজ করে না। এমন পরিস্থিতিতে শরীরে ক্লান্তি ভর করে।

বিষণ্ণতা

যদি আপনার সর্বদা ক্লান্ত লাগে, বিছানা ছাড়তে ইচ্ছা করে না, এ রকম পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হচ্ছে বিষণ্ণতা। নানা হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে এ রকমটা হতে পারে। এর জন্য আপনার অবশ্যই কাউন্সেলিং প্রয়োজন, নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত