স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের হাতে অস্ত্র জমা দিয়ে কক্সবাজারের মহেশখালী-কুতুবদিয়ার আত্মসমর্পণকারী ৪৩ জলদস্যুকে জামিন দিয়েছে আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক খোন্দকার হাসান মোহাম্মদ ফিরোজ এ আদেশ দেন বলে জানান পিপি মমতাজ উদ্দিন আহমদ।
তিনি জানান, মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেছে। জামিনপ্রাপ্ত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯ (এ) ধারায় মামলাটি করে মহেশখালী থানার পুলিশ। মামলাটি প্রত্যাহারে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের সুপারিশ ছিল। সব দিক বিবেচনা করে আদালত তাদের জামিন দেয়। আদালতে আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন সাবেক পিপি নুরুল মোস্তফা মানিক, আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জিয়া উদ্দিন ও রবিউল হাসান। জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আনজু বাহিনীর প্রধান মহেশখালীর সোনাদিয়ার বদিউল আলমের ছেলে আনজু মিয়া সিকদার (৩৩), বাহিনীর সদস্য সুমন মিয়া (৩৮), মকছুদ মিয়া (৩২) ও মোনাফ মিয়া (২৮)। রমিজ বাহিনীর প্রধান কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুংয়ের রমিজ উদ্দিন (৫৩) ও লেমশিখালীর ছালেহ আহমদ প্রকাশ ছইল্লা ডাকাত (৪৬)। কালাবদা বাহিনীর প্রধান মহেশখালীর কালারমার ছড়ার হাজী আবুল কাশেমের ছেলে নুরুল আলম প্রকাশ কালাবদা (৪৪), ফকির জামপাড়ার মোহাম্মদ আমিনের ছেলে রশিদ মিয়া (২৯) ও নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ আলী (৩৩)। জালাল বাহিনীর হোয়ানকের ছিদ্দিক আহমদের ছেলে ইসমাঈল (৩১), বশির আহমদের ছেলে মোস্তফা কামাল পারভেজ (২৫) ও আবুল কালামের ছেলে নুরুল আমিন (২৬)। আয়ুব বাহিনীর হোয়ানকের আব্দুল মান্নান কালু (২৫), সৈয়দ মিয়ার ছেলে জসিম (২৭), গোলাম কুদ্দুসের ছেলে রবিউল আলম (২২)। এ ছাড়া আলাউদ্দিন বাহিনীর প্রধান আলাউদ্দিন (৪৫)। গত বছরের ২০ অক্টোবর মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে আত্মসমর্পণ করেন তারা।
