বিশ্বকাপের আগে চোট কাটিয়ে উঠেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই গুরুত্বপূর্ণ পেসার ডেল স্টেইন ও কাগিসো রাবাদা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩০ মে বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচেই খেলতে পারবেন তারা।
চলতি শুরু থেকেই ইনজুরিতে জর্জরিত হয়ে পড়ে প্রোটিয়ারা। এরই মধ্যে হারিয়েছে বিশ্বকাপ দলে থাকা এক পেসার আনরেখ নর্টিকে। এমন অবস্থায় পেস অ্যাটাকের দুই ভরসার সুস্থ হয়ে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য সুসংবাদই বটে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন দলটির কোচ ওটিস গিবসন।
“কেজি (রাবাদা) ও স্টেইনকে নিয়ে ভয় ছিল। কিন্তু এখন সেসব নেই। তারা দুজনই সুস্থ হয়ে উঠেছে। বিশ্বকাপে তারা খেলবে। আশা করি প্রথম ম্যাচেই খেলবে দুজন।”
বিশ্বকাপ দলের সবাইকে এতদিন পর একসঙ্গে পেয়েছেন গিবসন। দলের একেকজন এতদিন আইপিএল, কাউন্টি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। অবশেষে পুরো দলকে পেয়ে খুশি প্রোটিয়া কোচ।
“দুর্দান্ত, এই দলটার একটা বিষয় আমার খুব ভালো লাগে। তা হলো, যখন ওরা একসঙ্গে হয় তখন ভুলে যায় যে এতদিন তারা বিচ্ছিন্ন ছিল।”
দল নিয়ে কোনো চিন্তা নেই গিবসনের। তবে ইংল্যান্ডের কন্ডিশনটাই একটু দুশ্চিন্তায় রাখছে তাকে। ইংল্যান্ডের বোলিং কোচ থাকায় দেশটির কন্ডিশন সম্পর্কে তার জানা আছে। তবুও বিশ্বকাপের সময় পরিবেশ কেমন থাকবে তা নিয়ে সন্দিহান গিবসন, “ওরা বলছে যে সামনের দুই মাস ইংল্যান্ডে একটু গরম পড়বে। তার মানে পিচ ব্যাটিং সহায়ক হবে আর অনেক রান হবে। এরই মধ্যে আমরা ইংল্যান্ডে দুটি রান উৎসবের ম্যাচ দেখেছি। এতে বোঝা যায় বিশ্বকাপটাও এমন হবে। তবে পরিবেশ কখন কেমন হয়ে যায় বলা যায় না। আসন্ন টুর্নামেন্টে পরিবেশ অনেক প্রভাব রাখবে।”
ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ মানেই দক্ষিণ আফ্রিকার ১৯৯৯ আসরের বিভীষিকা। সেমি-ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে শেষ বলে হেরেছিল প্রোটিয়ারা। এছাড়া প্রতি টুর্নামেন্টেই তাদের দুর্ভাগ্যজনকভাবে হারের রেকর্ড আছে। যা দলটিকে ‘চোকার’ ছদ্মনাম এনে দিয়েছে।
তবে গিবসন জানান, ১৯৯৯ সালের ঘটনা বা পরের বিশ্বকাপগুলো নিয়ে কোনো আলোচনা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা, “আগে যা হয়েছে তা অতীত। আমরা আগের কোনো ঘটনা নিয়েই আলোচনা করব না। এটা নতুন টুর্নামেন্ট নতুন করে খেলতে হবে। সবার এটাই চিন্তা।”
