হোয়াটসঅ্যাপে থাকুন নিরাপদে

আপডেট : ১৬ মে ২০১৯, ১১:২৪ পিএম

জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে। হ্যাকাররা এই অ্যাপের গ্রাহকদের স্মার্টফোনে ইসরায়েলি একটি কোম্পানির এমন একটি স্পাইওয়্যার ঢুকিয়ে দিচ্ছে, যা দিয়ে দূর থেকে কারও মোবাইল ফোন কল বা টেক্সট মেসেজে নজরদারি করা যাবে। এমন অবস্থায় হোয়াটসঅ্যাপ তাদের ১৫০ কোটি গ্রাহককে অ্যাপটি আপডেট করার পরামর্শ দিয়েছে। এই আপডেট আপনাকে করতে হবে ম্যানুয়ালি। কারণ অ্যাপস্টোরের মাথায় থাকা লাল ডটের হাতে এটা ছেড়ে দিলে চলবে না। এ অবস্থায় জেনে নিন আপনাকে কী করতে হবে

ব্যাকআপ সেটিং বদলে দিন : এ ক্ষেত্রে যদি আপনি কিংবা আপনার কোনো বন্ধু আপনাদের মধ্যকার হোয়াটসঅ্যাপের কথাবার্তা আইক্লাউড বা গুগল ড্রাইভে ব্যাকআপ করে রাখেন তাহলে একটা সমস্যা আছে। গোপনীয়তার সুরক্ষা এ ক্ষেত্রে কাজ করবে না। তাই গোপনীয়তা বজায় রাখতে চাইলে আপনি ব্যাকআপ ডিজ্যাবল বা অকার্যকর করে দিতে পারেন। আপনার সেটিংয়ে গিয়ে চ্যাট ব্যাকআপ অপশন থেকে আপনি এটা করতে পারেন।

টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন : যেকোনো তথ্য নিরাপদ এবং অন্যের ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখার জন্য মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল ডিভাইসে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন একটি ভালো উপায়। এর মাধ্যমে আপনার অনলাইন অ্যাকাউন্টে আপনি নিজে ছাড়া অন্য কারও ঢোকার পথে একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেয়াল তুলে দেওয়া যায়। এটা আপনি সেটিংয়ে গিয়ে পরিবর্তন করতে পারবেন।

প্রাইভেসিতে গিয়ে সব অপশন দেখুন : হোয়াটসঅ্যাপসহ অনেক অ্যাপেরই নানা রকম নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার ব্যবস্থা আছে। আপনি যদি সেটিং-অ্যাকাউন্ট-প্রাইভেসিতে যান তাহলে সবই দেখতে পাবেন। সেখান থেকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন আপনার প্রোফাইল ফটো বা আপনি কোথায় ছিলেন বা কোথায় আছেন তা-ও দেখতে পাবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি read receipt অর্থাৎ কারও পাঠানো বার্তাটি যে আপনি পড়েছেন তার প্রমাণস্বরূপ সেই টিক চিহ্নটি সুইচ অফ করে দিতে পারেন।

দুশ্চিন্তার কারণ আছে কি?

আপনি যদি একজন আইনজীবী, অ্যাক্টিভিস্ট, মানবাধিকার কর্মী কিংবা সাংবাদিক হন তাহলে ব্যাপরটা জরুরি। আর যদি এমন কিছু না হন, তাহলে দুশ্চিন্তার এত কারণ নেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত