প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার হুবহু প্রশ্নসহ গতকাল শুক্রবার সাতক্ষীরার কলরোয়ায় ২১ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ব্যাংক কর্মকর্তা ও শিক্ষক রয়েছেন। এদিন পাবনায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে আরও আটজনকে আটকের খবর পাওয়া গেছে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের
পাঠানো খবর :
সাতক্ষীরা : র্যাব-৬-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ নুর
সালেহীন সংবাদ সম্মেলনে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কলারোয়া থানার পাশের সোনালী সুপার মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রশ্ন ফাঁস চক্রের পাঁচ হোতাসহ ২৮ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই বছর করে সাজা দেওয়া হয়। কোনো অভিযোগ না থাকায় বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আটক হোতারা হলেনÑ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানার পরানখালি গ্রামের মৃত আহসান আলীর ছেলে ব্যবসায়ী আবদুল হালিম, কলারোয়ার ঝাপাঘাটা গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার আফতাবুজ্জামান, একই গ্রামের আবদুল আলিমের ছেলে শিক্ষক আমিরুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলার চেউটিয়া গ্রামের আবদুল ওহাবের ছেলে কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজার মনিরুল ইসলাম ও একই উপজেলার কাকবাশিয়া গ্রামের রইছউদ্দিনের ছেলে শিক্ষক তরিকুল ইসলাম। তাদের থেকে যে প্রশ্নপত্র উদ্ধার করা হয়েছে তার সঙ্গে মূল প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ১৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে বলেও জানান এ র্যাব কর্মকর্তা।
পাবনা : পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, গতকাল সকালে শহরের রাধানগর এলাকায় শুভ ছাত্রাবাস থেকে একটি চক্র আধুনিক ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতি করছেÑ এমন সংবাদে অভিযান চালিয়ে সাঁথিয়ার মৃত হযরত আলীর ছেলে শাকিবউদ্দিন, একই উপজেলার জাকির হোসেন লেবুর ছেলে আবদুস সোবাহান, চাটমোহরের আবদুস সামাদ সরকারের ছেলে আনোয়ার হোসেন ও সাহেব আলীর ছেলে সানাউল্লাহ সানি আটক করা হয়। তারা জালিয়াতিতে যুক্ত থাকার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। এছাড়া পরীক্ষা চলাকালে সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে আরও চার পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।
