ভণিতার আশ্রয় নিতে হয়নি

আপডেট : ২৬ মে ২০১৯, ১২:০৫ এএম

জনপ্রিয় উপস্থাপক ও অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা। ঈদের নানামাত্রিক আয়োজনে দেখা যাবে তাকে। ব্যস্ততা রয়েছে করপোরেট শো নিয়েও। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ। ছবি : সুমন হোসেন

ঈদের টেলিছবি ‘২২শে এপ্রিল’

আসছে ঈদ উপলক্ষে মাত্র একটি টেলিছবিতে অভিনয় করেছি। এর নাম ‘২২শে এপ্রিল’। মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত এ টেলিছবিটি এনটিভিতে প্রচার হবে। টেলিছবিটির গল্প যেমন ভালো, তেমনি পুরো টিম ছিল দারুণ। এরই মধ্যে আরিয়ান তার ‘বড় ছেলে’, ‘বুকের বাঁ পাশে’, ‘সংসার’-এর মতো বেশ কিছু নাটক নির্মাণ করে সাড়া ফেলেছেন। সেই সঙ্গে এতে আমার সহশিল্পী শহীদুজ্জামান সেলিম, ইরেশ জাকের, অপূর্ব, মেহজাবিন, মনোজÑ সবাই যার যার অবস্থানে দারুণ কাজ করছেন। আমি এখানে একেবারেই নতুন ধরনের একটি চরিত্রে রূপদান করেছি। নির্মাতা যখন আমাকে নাটকটির গল্প শোনান, তখন ঠিক এভাবেই বলেছিলেন একটি প্রতিবাদী ডিভোর্সি মেয়ে। উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারের চাকরিজীবী মেয়ে সে। এ ধরনের চরিত্র আমি আগে করিনি। তবে এই চরিত্রটি যে মানসিকতায় বিশ^াসী আমিও বাস্তবে সেটা বিশ^াস করি। তাই সংলাপগুলো বলতে আমার কোনো ভণিতার আশ্রয় নিতে হয়নি। সব মিলিয়ে এটি দারুণ একটি থ্রিলার ড্রামা ঘরানার কাজ হয়েছে। আশা করি দর্শক উপভোগ করবেন।

নতুন বিজ্ঞাপনে

নাটকে এর আগে জুটি হয়ে মনোজের সঙ্গে কাজ করেছি। তবে এই প্রথম আমরা বিজ্ঞাপনেও জুটি হয়েছি। কয়েক দিন আগে ঢাকার অদূরে পেট্রোম্যাক্স এলপি গ্যাসের নতুন এই বিজ্ঞাপনের শ্যুটিং হয়েছে। আমাদের গ্রামবাংলার চিরচেনা একটি পটভূমি নিয়ে কাজ করেছি। গ্রামবাংলায় নারীদের জীবন এবং তাদের মাটির চুলায় রান্নার কষ্টকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিজ্ঞাপনচিত্রে। গল্পটি অনেকের জীবনের সঙ্গেই মিলে যাবে। আমি প্রথমবার এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করলাম। বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন ধ্রুব হাসান। অচিরেই এটির প্রচার শুরু হবে।

উপস্থাপনায় নেই...

ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে এসে এখন আর সাদামাটা কোনো অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতে ইচ্ছে করে না। তবে প্রত্যাশা ছিল ঈদের কোনো জমজমাট অনুষ্ঠান নিয়ে হাজির হব। কিন্তু আমি অবাক হয়েছি, তেমন কোনো অনুষ্ঠানের প্রস্তাব পেলাম না। গত বছর ঈদেও আমি তেমন ভালো কোনো অনুষ্ঠান পাইনি বলে উপস্থাপনা করিনি। তাই কিছুটা হতাশ হয়েছিলাম। কিন্তু পরে খেয়াল করে দেখলামÑ এখন আর ঈদেও তেমন কোনো বিশেষ অনুষ্ঠান করছে না কেউ। এটা খুবই হতাশার কথা। দেশের বাইরে খেয়াল করলে দেখবেন কত ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে, এমনকি বড় বড় তারকাও অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন। কিন্তু আমাদের এখানের দৃশ্যটি একেবারেই আলাদা। নাটকে তাও কিছু মানুষ লগ্নি করছেন, ঈদের অনুষ্ঠানে সবাই উদাসীন। আমি মূলত করপোরেট শো নিয়েই ব্যস্ত আছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত