ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নেতা আবু বকর আল-বাগদাদিকে ধরতে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’কে সাহায্য করেছেন আইএস বধূ উম্মে সাইফ। কারাগারে বসে গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা স্বীকার করেন।
উম্মে সাইফ আইএসের সবচেয়ে সিনিয়র নারী সদস্য। প্রায় চার বছর আগে এক অভিযানের সময় ধরা পড়েন। ওই অভিযানে তার স্বামী নিহত হয়।
২৯ বছর বয়সী আইএসের এই নারী বহুল বিতর্কিত একজন কর্মী। আইএস ছাড়া আরও কয়েকটি জঙ্গি দলের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। মার্কিন সাহায্য কর্মী কাইলা মুলারসহ বেশ কয়েকজন নারী বন্দিকে তার সহায়তায় নিয়মিত ধর্ষণ করতো জঙ্গিরা।
ইরাকের আর্বিলের একটি আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। ওই শহরের কারাগারে দোভাষীর সাহায্যে গার্ডিয়ানের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। সঙ্গে ছিলেন একজন কুর্দি গোয়েন্দা কর্মকর্তা। গার্ডিয়ানের দাবি, এই সাক্ষাৎকারে ওই কর্মকর্তা কোনো প্রভাব রাখেননি।
উম্মে সাইফের স্বামীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন বাগদাদি। তাকে ধরতে যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েক বছর ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
উম্মে জানান, ইরাকে তারা যেখানে থাকতেন সেখানে মাঝে মাঝে বাগদাদি আসতেন। স্বামীর সঙ্গে গল্প করতেন। বিভিন্ন ভিডিও বানাতেন।
‘আমি তাদের (সিআইএ’কে) সব বলেছি। কোথায় সে থাকত সেই তথ্য দিয়েছি,’ জানিয়ে উম্মে সাইফ বলেন, ‘বাগদাদি মাঝে মাঝে আমাদের কাছে আসত। ওই সময় আমার স্বামী আইএসের বার্তা বিভাগের প্রধান ছিলেন।’
