দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ৯টি এসএসসি ও সমমানের পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করেছে। এতে ফল পরিবর্তন হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পরীক্ষার্থীর। ফেল থেকে পাস করেছে ৫৬৫ জন। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৬৪ জন। গতকাল শনিবার পৃথক পৃথক বোর্ড তাদের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করে। তবে কারিগরি বোর্ডের পুনর্নিরীক্ষণের ফল এখনো প্রকাশিত হয়নি।
বোর্ডগুলোর কর্র্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ১৪২, নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩৭ এবং ফল পরিবর্তন হয়েছে ২ হাজার ৮৩ জন পরীক্ষার্থীর। বোর্ডটিতে মোট ৫৭ হাজার ৫৫৫ জন পরীক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিল। দিনাজপুর বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৫৫, নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫২ এবং ফল পরিবর্তন হয়েছে ৩৩৮ জনের। যশোর বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৪৩, নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ জন। রাজশাহী বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৩৩, নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭৬ পরীক্ষার্থী। বোর্ডটিতে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে ১৫ হাজার ১৭৩ শিক্ষার্থী। কুমিল্লা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৮৯ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৩ জন। ফল পরিবর্তন হয়েছে ৪৬৪ জনের। সিলেট বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৩৭ জন, নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন। ফল পরিবর্তন হয়েছে ১৫৭ জনের। বরিশাল বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৪২, নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ এবং ফল পরিবর্তন হয়েছে ১৩০ জনের। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৮০, নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪২ এবং ৪৯২ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। এ ছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৪৪ এবং নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮ পরীক্ষার্থী।
গত ৬ মে এসএসসির ফল প্রকাশিত হয়। এ বছর মোট অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন। তার মধ্যে পাস করে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন। এবার সারা দেশে ৩ লাখ ৬৯ হাজার খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন পড়েছে। প্রতিটি খাতা বাবদ শিক্ষার্থীদের ফি দিতে হয়েছে ১২৫ টাকা। সেই হিসেবে পুনর্নিরীক্ষণের খাতা থেকেই বোর্ডগুলোর আয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা।
