গেল আসরে ফাইনালে ওঠেও স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছিল লিভারপুলের। সেবার শুরুর দিকেই চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন মোহামেদ সালাহ। এক বছর পর সেই সালাহ শুরুতেই গোল আদায় করলেন। শেষ দিকে বদলি নেমে দিভোক অরিগির পায়ে ব্যবধান দ্বিগুণ হলো। এই দুইয়ে ভর করে টটেনহ্যাম হটস্পারকে হারিয়ে ইউরোপ সেরার মুটুক পড়ল ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।
শনিবার মাদ্রিদের ওয়ান্দা মেত্রোপলিতানোয় টটেনহ্যামকে ২-০ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। এই শিরোপায় শুধু গেলবারের আক্ষেপ নয়, ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের সেরা মঞ্চে ১৪ বছরের খরা কাটল লিভারপুলের।
আসরে লিভারপুলের এটি ষষ্ঠ শিরোপা। এর আগে ২০০৪-০৫ মৌসুমে সর্বশেষ এই শিরোপার স্বাদ পেয়েছিল দলটি। প্রতিযোগিতার তৃতীয় সফল দল লিভারপুল। ১৩টি শিরোপা জিতে এই তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদ আছে শীর্ষে। ৭ বার শিরোপা ঘরে তুলে এসি মিলান আছে দ্বিতীয় স্থানে।
এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই পেনাল্টি থেকে গোল আদায় করে নেন সালাহর। সাদিও মানের শট মুসা সিসোকোর হাতে লাগায় রেফারি লিভারপুলের পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক থেকে দলকে গোল এনে দিতে ভুল করেননি সালাহ। চ্যাম্পিয়ন লিগের ইতিহাসে যা দ্বিতীয় দ্রুততম গোল।
প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের ৮৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় লিভারপুল। জোয়েল মাতিপের এসিস্ট থেকে বল জালে জড়ান দিভোক ওরিগি।
এমনিতে খেলাটা যে উত্তাপ ছড়ানো ছিল তা নয়। যেমন ফাইনালের অপেক্ষায় থাকে দর্শক, এই ম্যাচ ছিল তার ব্যতিক্রম। উত্তপাহীন ম্যাচ যাকে বলে। তবে বল দখলের লড়াইয়ে টটেনহ্যাম ছিল ঢের এগিয়ে। ৬৫ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে খেলেছে তারা।
