লন্ডনের ওভালে গতকাল এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচটা দেখছিলাম। মাথায় এর মধ্যে ঘুরছিল আজ ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের ম্যাচটা। নটিংহ্যামশায়ারে খেলা। এই ম্যাচে নিশ্চিতভাবে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে রাখতে হবে। পাকিস্তান আগের ম্যাচে যেভাবে হেরেছে তাতে মনস্তাত্ত্বিকভাবে তারা অনেক ডাউন অবশ্যই।
পাকিস্তান হারের মধ্যেই আছে। বিশ্বকাপের আগে এই মাটিতেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তারা পাঁচ ম্যাচের সিরিজ খেলেছিল। এক ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেও চারটিতে হেরেছে। সব মিলে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে রাখা ছাড়া কোনো উপায় দেখি না। ওরাই আমার চোখে ফেভারিট। তবু ওই হারা সিরিজে যেভাবে তারা সাড়ে তিনশোর মতো রানও করেছিল তেমন কিছু করাই মূল চেষ্টা থাকবে। কিন্তু ইংল্যান্ড তাদের প্রথম ম্যাচে কী কাণ্ডটাই না করল। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো ফেভারিট দলেকও একফোটা ছেড়ে কথা বলেনি। ১০৪ রানের বড় জয় আত্মবিশ্বাসটা আরও বেড়ে থাকাই স্বাভাবিক। আর ওরা তো বিশ্বকাপের দাবিদারও।
তারপরও পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে রান করার মতো ব্যাটসম্যান তো আছে। ইমাম-উল-হক, ফখর জামান, বাবর আজমÑ পাকিস্তানের টপ অর্ডারে এরাই সবচেয়ে বড় নির্ভরতা। দলের সবাই তাকিয়ে থাকবে তাদের দিকে যাতে তাদের ব্যাট থেকে রান আসে। বড় রান করে। তাহলেই কেবল পরের দিকের ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজ টেনে নিয়ে যাওয়া সহজ হবে।
একটা কথা না বললে না। আসলে আমার মনে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেদিন পাকিস্তানের দিনটা বাজে গেছে। সেদিনের মতো একই মাঠে খেলা। এটা একটা বাড়তি সুবিধা হয়তো হবে পাকিস্তানের জন্য। ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে হারা ম্যাচটাতে তারা বাউন্সটাকে সামলাতে পারেনি বলেই সর্বনাশ হয়েছিল।
কিন্তু সবকিছুর পরও এই বিশ্বকাপের হোম টিম ইংল্যান্ড যেমন ক্রিকেট খেলছে তাতে তাদেরই আমি ফেভারিট মানতে চাই। তাই মানছি এই ম্যাচেও।
