বিএসএমএমইউতে ‘বোমা’

বিএনপির সংযোগ আছে কি না তদন্ত প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৯ জুন ২০১৯, ০২:৩২ এএম

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে পেট্রল বোমাসদৃশ বোতল উদ্ধারের ঘটনায় বিএনপির সংযোগ আছে কি না তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘আসলে এগুলো কারা রেখেছিল। বেগম খালেদা জিয়াকে তারা সেখানে রাখতে চান না। তারা বলে আসছেন ইউনাইটেড হাসপাতাল কিংবা অন্য কোনো বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে হবে। এ ঘটনায় খালেদা জিয়াকে সরানোর পরিকল্পনার যোগসূত্র রয়েছে কি না তা তদন্ত প্রয়োজন।’

গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজী পুকুর পাড়ে নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন তথ্যমন্ত্রী।

গত বৃহস্পতিবার বিএসএমএমইউ হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলার রেজিস্ট্রারের কক্ষের সামনে পেট্রল বোমাসদৃৃশ একটি বোতল উদ্ধার করে পুলিশ। এই হাসপাতালেরই আরেকটি ভবন কেবিন ব্লকের ৬২১ নম্বর কক্ষে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন।

বোমাসদৃৃশ বোতল উদ্ধারের পেছনে ‘উপর মহলের নীলনকশা’ রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘রিজভী আহমেদ কারণে অকারণে প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলন করেন। এই পেট্রলবোমার সঙ্গে রিজভী আহমেদরাই ভালো পরিচিত। তার উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ জানি না। তাদের কর্মীরাই ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে পেট্রলবোমা মানুষের ওপর নিক্ষেপ করেছে। এখন হাসপাতালে বোমাসদৃশ্য বস্তু পাওয়াতে বরং আমরা বেশি উদ্বিগ্ন।’

‘খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের দিন দেখা করতে না দিয়ে জেল কোড লঙ্ঘন করা হয়েছে’Ñ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নিজের মতো ব্যাখ্যা না দিয়ে মির্জা ফখরুলের উচিৎ ছিল জেল কোড ভালো করে পড়া। জেল কোডে বলা আছে, উৎসবের দিনে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবকে দেখা করতে দিতে হবে। মির্জা ফখরুলসহ দলের সিনিয়র নেতারা খালেদা জিয়ার বন্ধুবান্ধব নয়, তারা হলেন রাজনৈতিক নেতা বা সহকর্মী। এখানে জেল কোডের কোনো লঙ্ঘন হয়নি।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত