রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে কনসাল জেনারেলদের চিঠি

আপডেট : ১২ জুন ২০১৯, ০২:৩৫ এএম

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন দেশের সরকার ও সুশীল সমাজকে সম্পৃক্তির উদ্যোগ নিতে কনসাল জেনারেলদের চিঠি দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। এতে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া তদারকিসহ মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশে কর্মরত বিভিন্ন দেশের অনারারি কনসাল জেনারেল ও বিদেশে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল জেনারেলদের অনুরোধ করা হয়।

চিঠিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বোঝা অনির্দিষ্টকালের জন্য বহন করতে বাংলাদেশ সক্ষম নয়। যুগের পর যুগ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ও দুর্দশাগ্রস্ত এ জনগোষ্ঠীর অবস্থান এ দেশে দীর্ঘায়িত হলে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

ড. মোমেন বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্দেশে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ ছাড়া ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালের মতো মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয়ভাবে এ সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুসরণ করে নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য দৃশ্যমান সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিতে মিয়ানমারের ব্যর্থতা ও চরম অনাগ্রহ দেখা গেছে। এ কারণে এখনো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বদেশে প্রত্যাবাসন শুরুর কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মধ্যেই আছে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকার প্রত্যাশায় আছে বাংলাদেশ। তিনি আরও বলেন, অনেক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক দিক বিবেচনায় অসহায় এই মানুষদের অস্থায়ী আশ্রয় দেওয়ার মতো অত্যন্ত সাহসী পদক্ষেপ নেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত