পশ্চিমবঙ্গকে এখন আপনি এক নাটকের স্টেজ ভেবে নিতে পারেন। বিশাল ক্যানভাস। অজস্র চরিত্র। প্রথম, দ্বিতীয় বেল পড়ে গেছে। তৃতীয় ঘণ্টা বাজলেই কার্টেন বা পর্দা উঠলেই আপনি কল্পনায় এক ঐতিহাসিক নাটকের আভাস পাবেন। এ যেন পুরনো কোনো রাজদরবার। কান পাতলেই শোনা যায় ফিসফিসানি, পরস্পরের প্রতি ঘৃণা, অবিশ্বাস। মায়া-মমতা, স্নেহ-ভালোবাসা কোথাও কিছু নেই। শুধুই প্রাসাদ ষড়যন্ত্র। ক্ষমতালোভীদের দাপাদাপি। এ নাটকে কোনো নায়ক নেই। নাটক জুড়ে শুধুই খলনায়কদের প্রবল প্রতাপ। সত্যি-মিথ্যে, অর্ধ সত্য, ডাহা মিথ্যের জাল বুনে আমাদের রাজনীতিবিদদের দৌলতে এরই মধ্যে এ রাজ্য পুরো অগ্নিগর্ভ। প্রশাসন আছে কি নেই বোঝা মুশকিল। শিক্ষা-স্বাস্থ্য-সংস্কৃতি সর্বত্রই এখন ডেডলক সিচুয়েশন বা বলা ভালো, পুরোপুরি অচলাবস্থা চলছে।
এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচার কোনো সম্ভাবনা আপাতত নেই। মমতা ব্যানার্জির সরকারের সে যোগ্যতা নেই কোমায় চলে যাওয়া রাজ্যটিকে আবার বাঁচিয়ে তোলার। বামপন্থি রাজনীতির যতই সমালোচনা হোক না কেন, তার একটা ন্যূনতম কর্মসূচি ছিল। বাইরে দৃশ্যমান অন্তত একটি সংগঠন ছিল। সংখ্যা কম হলেও কিছু কমিটেড আদর্শবাদী মানুষ ছিলেন, যারা চোখের মণির মতো তাদের প্রাণের বামফ্রন্টকে আগলে রাখতে সক্রিয় ভূমিকা নিতেন। পাশাপাশি তৃণমূল কোনো রাজনৈতিক দলই নয়। রংবেরঙের স্বার্থের এক রামধনু জোট। তাদের মূলধন দুটি। এক, অন্ধ বামপন্থার বিরোধিতা ও দুই, মমতা ব্যানার্জির ব্যক্তিগত ক্যারিশমা। এখন এই দুই অস্ত্র নিয়ে বিপক্ষের অত্যন্ত শক্তিশালী একটি রাজনৈতিক শক্তির মোকাবিলা করা শুধু কঠিন নয়, এক কথায় অসম্ভব। তাই এটি নিশ্চিত অন্য কোনো ধরনের বোঝাপড়া না হলে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখল এখন দিন গোনা অপেক্ষায়।
অনেকেই মনে করছেন, মমতা ব্যানার্জির সরকার ফেলে দেওয়ার জন্য কেন্দ্র যেকোনো মুহূর্তে ৩৫৬ জারি করতে পারে। এই ধারা তখনই জারি করা হয়, যখন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এমন একপর্যায়ে চলে যায়, যখন সাধারণ মানুষের স্বার্থে কেন্দ্র বাধ্য হয়ে হস্তক্ষেপ করে। আমাদের সংবিধান অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি রাজ্যের এখতিয়ারভুক্ত। কিছু বিষয় আছে যাতে কেন্দ্রের দায়িত্ব রয়েছে। কিছু যুগ্ম তালিকার মধ্যে। বাকি বিষয় রাজ্যের আওতাধীন। এই আপাত জটিল অথচ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে লুকিয়ে আছে স্বাধীনতা-পূর্ব অবিভক্ত ভারতের রাষ্ট্রীয় কাঠামো কী হবে, তা নিয়ে মহাবিতর্ক। স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর নামে ক্রমেই অতিকেন্দ্রায়নের পথ বেছে নিল কংগ্রেস ও বিজেপি দুই শাসকই। আর এখন ভারতের রাজনীতি যেদিকে মোড় নিচ্ছে, তাতে আশঙ্কা হচ্ছে, আগামী দিনে বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থার বদলে একদলীয় সরকারের। এবারের ভোট হয়েছে অনেকটা আমেরিকার ধাঁচে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মতো। বিজেপি নয়, মূল লড়াই ছিল নরেন্দ্র মোদি বনাম বহুদলীয় ব্যবস্থার।
৩৫৬ ধারা নিয়ে অনেক ব্যাখ্যা কেন্দ্রীয় শাসকরা দিয়ে থাকেন। তা যতই মিঠে শোনাক, বাস্তবে তা জনগণের দোহাই দিয়ে আসলে নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দেওয়ার এক গভীর রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র। স্বাধীনতার পর প্রথম এই কাজটি করেছিলেন শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী, কেরালের নির্বাচিত ই এম এস নাম্বুদ্রিপাদের বামপন্থি সরকারকে ফেলে দিয়ে। আর এখন যারা ভারতের ক্ষমতায়, তারা তো কোনো অবস্থাতেই একচুল জমিও বিরোধীদের ছাড়তে রাজি নয়। ভারতের নির্বাচন নিয়ে যেকোনো আগ্রহী ছাত্র যদি বিশ্লেষণ করেন, তাহলে দেখা যাবে, এবারের নির্বাচনে যা যা হয়েছে তা আগে কখনো হয়নি। এবার প্রথম দলের বদলে ব্যক্তিগত ক্যারিশমা সামনে এসেছে ভোটের লড়াইয়ে। এত বিপুল পরিমাণ টাকা, ষাট হাজার কোটি টাকার ওপরে আগে কোনো নির্বাচনে শাসক দল জেতার জন্য লগ্নি করেনি। এবারের মতো আগে কখনো সামাজিক মাধ্যমÑ ফেইসবুক, টুইটার, ওয়াট্সআপ এভাবে ব্যবহার করা হয়নি। বিজেপি তার আইটি সেলকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মোদির ভাবমূর্তি নির্মাণের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের ঘৃণ্য তাস খেলেছে। এত কদর্য ভাষা এর আগে কখনো নেতা-মন্ত্রীদের মুখে শোনা যায়নি।
পশ্চিমবঙ্গের দিকে তাকালে বুঝতে পারবেন, এই প্রথম এখানে নির্বাচন হলো মূলত হিন্দুত্বকে সামনে রেখে। ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচন থেকে এর আগে কখনো এ রাজ্যে জয় শ্রী রাম সেøাগান সামনে রেখে ভোট হয়নি। ১৯৬৭ সাল অবধি কংগ্রেসের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। তখন মুসলিম লীগ অবলুপ্ত। মুসলিম সমাজের বড় অংশ কংগ্রেসের পতাকা তলে নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে যোগ দিলেন। উদ্বাস্তু সমস্যা জটিলতর হলেও আজকের হিন্দুত্ববাদীদের পূর্বসূরি হিন্দু মহাসভার প্রতি কোনো টান ছিল না দেশভাগের ফলে যে বিপুলসংখ্যক হিন্দু এপারে চলে এলেন তাদের। এখন যাকে নিয়ে সংঘ পরিবারের মাতামাতি, সেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়েরও তেমন প্রভাব ছিল না। ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত এই দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের বিভিন্ন জনবিরোধী নীতির প্রতি ক্ষুব্ধ জনতা, হিন্দু উদ্বাস্তুদের বড় অংশ, সেই সঙ্গে মুসলিম সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ বামপন্থি রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়ল। মনে রাখবেন, এই মুসলিম ও উদ্বাস্তুদের নিম্নবর্গের হিন্দুরাই বঙ্গীয় পশ্চিম ভাগের শ্রমিক কৃষক ছোট পুঁজির বৃহত্তর জনগোষ্ঠী। এই অংশ ছিল ক্রমবর্ধমান বামেদের শক্তির উৎস। এদের জোরেই ১৯৬৭ সালে প্রথম অকংগ্রেসী সরকার তৈরি হলো।
পরে নানা টালমাটাল অবস্থার মধ্য দিয়ে ১৯৭৭ সালে বামপন্থিদের ক্ষমতায়ন এবং টানা ৩৪ বছর রাজত্বের পর মমতা ব্যানার্জির জয়। এই পরিসর ছুঁয়ে গেলাম এ জন্য যে, কৌতূহলী যে কেউ বিপুল এ সময়ে সব নির্বাচনের আবহ যে রাজনৈতিক ছিল তা সামান্য খোঁজখবর নিলেই জানতে পারবেন। এই রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক আছে। জরুরি অবস্থা বা ১৯৭২-এর ভোটে দৃষ্টিকটু রিগিং। এসব আলাদা আলাদা বিষয় নিয়ে বিস্তর তর্ক হতে পারে। কিন্তু মোটামুটি একটা রাজনৈতিক পরিসর ছিল তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
এমনকি মমতা বা তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সেøাগান দিয়ে। নন্দীগ্রাম সিঙ্গুরে বামদের যাবতীয় কৌশলকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মমতা ভোটে জিতেছিলেন। তথাকথিত উন্নয়ন, শিল্প না কৃষি এই প্রশ্নে। বামপন্থি রাজনীতির চিরাচরিত কৃষক ভিত্তি নিজের অনুকূলে আনতে পেরেছিলেন মমতা। এই কৃষকদের বড় অংশ আবার বাঙালি মুসলমান। পশ্চিমবঙ্গের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মিথকে মমতা ব্যানার্জি একেবারে খুল্লামখুল্লা বেআব্রু করে দিয়েছিলেন। বহু বছর ধরে এই মিথ দুটি দেশ-বিদেশে জনমনের প্রচারে ছিল। জোরের সঙ্গে বলা হতো, এ রাজ্য কাস্টইজম ও কমিউনালিজম নেই। জাতপাত বা সাম্প্রদায়িকতা রাজ্যে নেই। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে তা মমতা ব্যানার্জি পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন। বামপন্থিরা একদা তাদের মজবুত সংগঠনের জোরে যে শ্রেণি সমঝোতা বা সমন্বয় করে পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতির দৌলতে রাজ্যপাট চালাচ্ছিলেন, তার মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছিল গ্রাম শহরে একদল সুবিধাভোগী মধ্যবিত্ত। স্কুলশিক্ষক, অধ্যাপক, উঠতি ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মচারী। সমাজের এই ক্রিমিলেয়ার বা উচ্চ কোটির বাবু ভদ্দরলোকরা ছিলেন বাম সরকার ও পার্টির সর্বময় কর্তা। বলাবাহুল্য, এদের অধিকাংশই উচ্চবর্গের হিন্দু। ফলে ক্ষমতাবঞ্চিত বিপুলসংখ্যক গ্রামীণ সর্বহারা ও শহরের এলিট একটা অংশ, যারা বরাবরই বামবিরোধী, তাদের সমর্থন পেতে মমতার সুবিধা হলো।
তৃণমূল কোনো দিনই কাউকে অধিকার দিতে চায়নি। সে আদ্যন্ত ডোল বা ভিক্ষার রাজনীতি পছন্দ করে এসেছে। এর পেছনে যে যুক্তি তাও সোজাÑ বাপু আমি তোমাকে দান-খয়রাতি করে যাব। আর তুমি আমার তাঁবেদার হয়ে থাকবে। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর গগনচুম্বী দম্ভ, যা তলে তলে মমতা অনুগামী অনেককেও ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। এই নানা জনের বিবিধ ক্ষোভকে বিজেপি দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগিয়ে এরই মধ্যে মমতার পায়ের মাটি আলগা করে দিয়েছে। মানুষের অধিকার আন্দোলনে মমতা ব্যানার্জির সহানুভূতি নেই। মোদির মতোই মমতা ব্যানার্জি যেনতেন প্রকারে ধর্মঘট নিষিদ্ধ করার পক্ষে।
বাইরে, বিদেশে বেশ কিছু ধারণা আছে, যা আদৌ ঠিক না। যেমনÑ মমতা ব্যানার্জি কট্টর মোদিবিরোধী। সংখ্যালঘুর বন্ধু। বলতে বাধ্য হচ্ছি, এর কোনোটাই সত্যি নয়। আপাত দুটি ধারা আলাদা পথে চললেও আসলে একমুখী। সংসদীয় গণতন্ত্রের মৃত্যুঘণ্টা বাজানো। দুই রাজনৈতিক ধারাই ধীরে ধীরে দেশের যাবতীয় গণতান্ত্রিক সংস্থাগুলোকে কমজোরি করে তুলছেন। আমাদের একদা যে গর্বের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ছিল, তা এর মধ্য প্রায় অতীত। গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও যুক্তিতর্ক সব এখন শেষের পথে। ভিন্ন মত হলেই আপনার দিকে ঝাঁপিয়ে পড়বে অজস্র গালমন্দ, কুৎসিত ভাষা। ‘প্রগতিশীল’ পশ্চিমবঙ্গে এখন ধর্মীয় মেরুকরণই একমাত্র রাজনৈতিক ইস্যু। এই মেরুকরণের জন্য মমতার ভূমিকাও কম নয়। বিজেপির অন্যতম স্লোগান এবার মুখ্যমন্ত্রীর সংখ্যালঘু তোষণ। যার সঙ্গে বাস্তবের কোনো সম্পর্ক নেই। ইচ্ছা আছে কখনো কোনো সময় এ রাজ্যের সংখ্যালঘু ‘তোষণ’, যা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনমনে এরই মধ্যে প্রভাব ফেলেছে, তা কতটা মিথ্যা, কতটা সত্যি, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। আমরা যেন স্বাধীনতা-পূর্ব অবিভক্ত বাংলায় পৌঁছে গেছি। আমার মনে হয় না, এ রকম সময় ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করে কেন্দ্রীয় সরকার বা বিজেপি দল মমতা ব্যানার্জিকে কোনোভাবেই শহীদ হওয়ার পথ করে দেবে। এখন বেশ কিছুদিন এ রকম মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়বে মমতার বিরুদ্ধে। এখন দেখার, এই স্নায়ু যুদ্ধ থেকে পরিত্রাণ পেতে মমতা কী কৌশল নেন। পথটা কঠিন কিন্তু অসম্ভব নয়। সমস্যা একটাই, এত দিনেও মমতা আগের মতো বিরোধী নেত্রী থেকে গেছেন। পরিণত রাজনীতিক নন।
কিন্তু আগেই বলেছি, মমতার রাজনীতি পুরোপুরি পপুলিস্ট। ফলে অনেক অন্যায়কে চোখের সামনে দেখেও মমতা ব্যানার্জি স্রেফ ভোটের কথা ভেবে চুপ করে গেছেন। এবারের ভোট এবং এখনো ক্ষমতা দখলের যে রাজনীতি, তার মধ্যে কোনো রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক দাবি নেই, যা আছে তা অনেকটাই সাম্প্রদায়িক ইস্যু।
সব মিলিয়ে জমজমাট নাটকের শেষ অংশে পৌঁছে গেছি। ২০২১ সালে বোঝা যাবে শেষ অবধি কার দখলে যাবে পশ্চিমবঙ্গ। মমতা না বিজেপি! এখনো অবধি নিঃসন্দেহে হাওয়া বিজেপির দিকে। যেই জিতুক ক্ষমতার অধিকারী কিন্তু দক্ষিণপন্থি রাজনীতিই। একদা বহু চর্চিত নবজাগরণের ধাত্রীভূমি, বামপন্থি রাজনীতির গড় এই বাংলা নিঃশব্দে তার চরিত্র বদলে ফেলেছে আমরা কেউ খেয়াল করিনি। তাই শেষ হাসি কে হাসবে তা নিয়ে গবেষণা চলবে কিন্তু পুরনো বাংলা আজ অতীতের স্মৃতিমাত্রÑ এই কঠিন বাস্তবকে আমাদের মনে রাখতে হবে।
‘২০২১ সালে বোঝা যাবে শেষ অবধি কার দখলে যাবে পশ্চিমবঙ্গ। মমতা না বিজেপি! এখন অবধি নিঃসন্দেহে হাওয়া বিজেপির দিকে। যেই জিতুক ক্ষমতার অধিকারী কিন্তু দক্ষিণপন্থি রাজনীতিই। একদা বহু চর্চিত নবজাগরণের ধাত্রীভূমি, বামপন্থি রাজনীতির গড় এই বাংলা নিঃশব্দে তার চরিত্র বদলে ফেলেছে আমরা কেউ খেয়াল করিনি। তাই শেষ হাসি কে হাসবে তা নিয়ে গবেষণা চলবে কিন্তু পুরনো বাংলা আজ অতীতের স্মৃতিমাত্রÑ এই কঠিন বাস্তবকে আমাদের মনে রাখতে হবে’
লেখক
ভারতের প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা এবং কলামনিস্ট
