জামদানির জমিন

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৯, ০২:১৯ এএম

শিক্ষিত অল্প কয়েকজন কারিগর-মালিকের একজন আবুল কালাম আজাদ জামদানি ব্যবসা করেন। কেন তাদের ঐতিহাসিক এই পোশাক হারাতে চলেছে? লেখায়, ছবিতে বলেছেন জাওয়াদুল আলম

সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখেন, বাপ-চাচা তাঁত টেনে কাপড় বুনছেন, সুতোগুলো মিহি কি না তীক্ষ্ম চোখে দেখছেন। বিকেলে স্কুল থেকে ফিরেও তাই। ফলে আজাদেরও খুব মন চাইল, চৌদ্দ পুরুষের কাজ, তাদের বাড়ির সারাক্ষণের কর্ম, রুটি-রুজি; আলোচনা-বেদনার বাহক কীভাবে তৈরি হয়, শিখে নেবেন। কতই বয়স তখন? আবুল কালাম আজাদ মোটে ১৩ বছরের; সপ্তম শ্রেণিতে পড়েন। ছেলের আগ্রহ দেখে বাবা আনোয়ার ইসলাম মানা করতে পারলেন না। যদিও তিনি এবং আজাদের মা চাইতেন ও সংসারের বড় ছেলে, লেখাপড়ায়ও ভালো; ফলে পড়ে মানুষের মতো মানুষ হোক। জীবনটাকে সাজিয়ে, গুছিয়ে রাখুক।

তারা নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের মানুষ। পুরো উপজেলাটি সারা পৃথিবীতে ‘জামদানি পল্লী’ নামে বিখ্যাত। বাংলাদেশের ইতিহাস বিখ্যাত পোশাক মসলিনেরই পরের রূপ হলো ‘জামদানি’। মসলিনের ওপর জ্যামিত্যিক নকশা, বুটিকের কাজই এই। শাড়ি বিখ্যাত হলেও এই ধরনের ওড়না, কুর্তা, পাগড়ি, ঘাগরা, রুমাল, পর্দা থেকে শুরু করে টেবিল ক্লথ সবই তৈরি হয়। জামদানির জন্ম খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে। ইবনে বতুতা, মার্কো পোলোর বইতেও জামদানির কথা আছে। ব্রিটিশরা জামদানির (মসলিন) খ্যাতি ছড়িয়েছেন সারা দুনিয়ায়। বিশ^খ্যাত এই পোশাকের প্রতি আজাদের ভালোবাসা গড়ে উঠল তাদের পরিবার থেকেই। চাচারাও আগ্রহী ভাতিজা বিকেলে খেলার সময় বাড়িতে তাঁতের পাশে, জামদানি শাড়ির দিকে উৎসুক চোখে তাকিয়ে আছে, দেখতেন; ডেকে বসাতেন। নিজেরা যা জেনেছেন, বংশের পর বংশ ধরে, শতক পেরিয়ে পাওয়া জ্ঞান ও কৌশলগুলো আজাদের মগজ আর হাতের কারুকাজে যতেœ তুলে দেওয়া শুরু করলেন। ফলে যখন এইচএসসি ক্লাসে ভর্তি হলেন পুরান ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজে, তখনো তার বয়সের ছেলেমেয়েদের স্বভাবে থাকা আড্ডা ছেড়ে জামদানির বাকি কৌশল, কাজগুলো শেখার জন্য কলেজ থেকে ফিরেই তাঁতের সামনে বসে পড়তেন আজাদ। এভাবেই তার জামদানি পাঠের পূর্ণাঙ্গতা এলো মাত্র ১০ বছরে। মদন, কমলা, কলমিলতা পাড়ের বিশেষ জামদানি শাড়ি তৈরি শিখে ফেললেন। তবে মায়ের ভালো লাগত না এসব। তিনি চাইতেন, আমাদের রূপগঞ্জের তাঁতিদের তো পড়ালেখার রেওয়াজ নেই, তারা আছেন তাঁত নিয়ে; অন্তত আমার তিন ছেলে লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হোক। তবে চাকরি তো সবাই করে সবাই করেন, লেখাপড়া শেখাটাই মানুষের কাজ; সেটি শেষ করে আমি জামদানিতে থাকবÑ মনে মনে ভাবলেন আজাদ। ফলে কলেজ থেকে বিকম (ব্যাচেলর অব কর্মাস) ডিগ্রি নিয়ে পারিবারিক পেশায় ফিরলেন। শত শত বছরের দক্ষতা, ভালোবাসা ও কৌশল তাকে পেয়ে বসল। অন্য ইচ্ছেও ছিল। সঙ্গী হলেন ছোট দুই ভাইও। একজন এসএসসি, অন্যজন অনেক ছোট সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে এইচএসসিতে পড়েন। তিন ভাইয়ের মিলিত পেশা, নেশা হলো এই।

তারা দেখেছেন, ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে তাঁতি ও কারিগররা জেগে ওঠেন। পান্না, রুটি-ভাজি, ভাত-ডাল-আলুভর্তা খেয়ে কারখানায় কাজ শুরু করেন। বাড়িতে তাঁতের পাল্লা টেনে ধরেন। তখন আজাদের ২৮ বছরের সাধনার পর গড়ে তোলা মম জামদানি হাউজও কাজে নেমে পড়ে। তবে তার কারখানার শ্রমিকদের শুরুর কাজ একেবারেই আলাদা, মানবতার প্রথম পাঠ দেওয়া শুরু করেন তাদের কর্তা ও সঙ্গী আবুল কালাম আজাদ। তিনি নিজে ভাইদের নিয়ে বই, খাতাগুলো নামিয়ে আনেন তাক থেকে। আত্মীয়-বান্ধবদের পড়ালেখার প্রাথমিক পাঠ দেন। লজ্জা কারও নেই, আজাদরা তো তাদের হাঁটুর বয়সী। বয়স ৩৫ পেরিয়ে গেলেও এই সেদিনের ছেলে। মনে মনে ভাবেন তারা। আজাদরা তাদের লেখাপড়া টানা ঘণ্টাখানেক শেখান। মনে মনে আজাদ তখন বলেন, পড়ালেখার গুরুত্ব কবরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত। তারা আমার মতো না হন, নাম-পরিচয় আর হিসাবের খাতা খুলে যেন লিখতে পারেন। তাদের জন্য তার অনেক মায়া। সরল এই মানুষগুলো অভাবে থাকেন, ছেলেমেয়েরা তাদের সেই যুদ্ধের হাতিয়ার; হাতগুলো একটু শক্ত হয়ে উঠলেই তাঁতের সঙ্গে মিতালী শুরু করে; ফলে পড়ার দিকে আর যাওয়া হয় না। এই স্কুলে বর্ণমালা, পড়ার মতো যোগ্যতা আয়ত্ত করানো হয়। শত বছরের কৌশলে পাকা হলেও তাদের বিদ্যা পেটে ধরে না। ফলে ময়না নামের স্বল্প শিক্ষিত এক গৃহবধূ তাদের সঙ্গী হন। তিনি ধরে ধরে সুর করে তাদের সঙ্গী হন। এই গ্রামেরই মেয়ে। সাতটা থেকে জেগে ওঠে জামদানি পল্লীর তাঁতগুলো। তাল মিলিয়ে চলে আজাদের কারখানা। প্রতিটি তাতে এখন দুজন আছেন। আগের সেই গর্ব হারিয়েছে। ডানে কারিগর, বামে তার সহকারী। তাকে জামদানি গ্রাম ডাকে হারকিত। এটি স্থানীয় ভাষা। বুননের মতোই তাদের নিজস্ব ডাক। কারিগর দেখিয়ে দেন, নব সঙ্গী বা অনেক দিনের পুরনো হারকিত সঙ্গে সঙ্গে কাজ বুঝে নেন। এভাবেই চলে তাঁতগুলো। বেলা ১২টায় ক্ষান্ত হয় ওগুলো। দুপুরের খাবার ও নামাজের বিরতি; বাড়িতে সামান্য গড়িয়ে বা বাড়ির কাজ করে আবার বেলা তিনটা থেকে তাঁতগুলো চলতে থাকে। বিকেলের নাস্তা ও নামাজের বিরতির পর রাত আটটা পর্যন্ত টানা পরিশ্রম করেন মানুষগুলো। কী এত কাজ? নতুন প্রজন্মের এই ভাবনা তার মাথায় ধরে না। আবুল কালাম আজাদ সামান্য চমকে গেলেন? পরে স্বাভাবিক লাজুক মুখে বললেন, ‘আমাদের জামদানি শাড়িগুলোর প্রতিটি কারুকার্যের ভিত্তিতে শ্রম পায়। সাত দিন তো একটি খুব কম দামের, সবচেয়ে কম কাজের শাড়ির পেছনেই শ্রম দিতে হয়। ছয়মাসও নিয়ে নেয় কোনো কোনো গর্জিয়াস জামদানি। কোনো বড়লোকের ছেলের নতুন বউয়ের গায়ে সে জড়ায়। কোনো শাড়িই আমরা রূপগঞ্জবাসীরা মেশিনে বুনি না, হাতে বানাই; শ্রম-মেধা দিই।’ দামের আলাপে এলেন এই ২৮ বছরের অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী, ‘তিন থেকে ১০ হাজারে পাওয়া যায় আমাদের মাঝারি মানের জামদানি। সেগুলো সাত থেকে ১০ দিন নিয়ে ফেলে। ১০ থেকে ২৫ হাজারি জামদানিগুলো বিক্রি হয় মাসখানেকের শ্রমে। যেটিই কিনুন না কেন, শাড়ির জমিনে পাবেন বাংলার প্রাচীন কারুকার্য।’ এত শ্রমে গড়া শাড়িগুলো শোভা, খ্যাতি বাড়ালেও তাঁতিদের লাভ আর হয় না। কারখানাগুলোও আর লোকসান টানতে পারছে না। ফলে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে তার চোখের সামনেই। কত তাঁতির পেশা বদলের করুণ কাহিনী শুনে আসছেন জন্মের পর থেকে। বছর বিশেক আগেও তারা জানতেন, রূপগঞ্জে ২শ জামদানি কারখানা ছিল। এখন আছে গুনে গুনে মাত্র ৪০টি। জামদানি তো তাদের খাওয়া-পরা; অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ঠেকাতে পারছে না, তাই এই দশা। কাজ জানলেও, বিশ^খ্যাত জামদানি পণ্য রক্ত, ঘাম, ভালোবাসায় তৈরি করতে পারা শিখলেও কারিগর, হারকিত আর তাদের বধূ, কন্যাদের ঠিকানা হচ্ছে গার্মেন্ট, মেলামাইন, সয়াবিন তেল তৈরির কারখানাতে। তাঁতের শব্দ বুকে নিয়ে তারা সেসব জায়গায় পাঁজর ভাঙেন। শিল্প নগরী নারায়ণগঞ্জ এখন তাদের ডেকে নিয়ে যাচ্ছে। মাসে বেতন আছে, বিক্রি হবে কি হবে না, ঠকবেন কি ঠকবেন না সেই অনিশ্চয়তা তো কাটছে। ফলে তাদের ঐতিহ্য ধুঁকছে এখন মরণ রোগে। কারখানাগুলো কেমন আছে? আবুল কালাম আজাদ বললেন, ‘তাঁতের শিল্পীরা সপ্তাহের মজুরিতে আছেন। আগের মতো দক্ষ কারিগর এখন আর অনেক নেই, ফলে যারা আছেন, যারা অনেকটাই কাজ পারেন; তারা অগ্রিম মজুরিতে কাজ করেন। কারিগরের মজুরি আমি দিই তিন হাজার, হারকিতের দুই। হারকিতরাই পরে কারিগর হন, কাজও অনেকটাই পারেন বলে তাঁতে বসেন। তবে লেখাপড়াহীন এই জনপদের অন্য কারখানা মালিকরা আরও ঠকেন বলে আরও কম মজুরি দিতে বাধ্য হন। তাদের কারখানাগুলোতে কারিগরদের গড়ে সপ্তাহে আড়াই থেকে দুই এবং হারকিতদের ১২ থেকে ১৫শ টাকা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।’ দিনে অন্তত ১০ ঘণ্টা মাথা ও শরীর খাটিয়ে তারা কাজ করেন, তাতেও সংসার চলে না বলে আরও টাকা, একটু সুখের আশায় অন্য কাজে চলে যাচ্ছেন। এর চেয়ে কমে, ভালো কারিগর পাওয়া যায় না।

‘এক একটি জামদানির পেছনে কতটা শ্রম, ধৈর্য, মনোযোগ লাগে চোখে না দেখলে বিশ^াস করবেন না’Ñ বললেন জামদানি পরিবারের সন্তান আজাদ। ভালো ও অভিজ্ঞ কারিগররা দিনের পর দিন এক নজরে কাজ করে যান বলে তাদের চোখের রোগ বেশি হয়। সর্বক্ষণ সুতোর দিকে নজর তাদের, এক পলক দেখলেই তারা এখন যেকোনো আধুনিক নকশা শাড়ির জমিনে ফুটিয়ে তোলেন। এই অনন্যতাতেই জামদানি এখনো বেঁচে আছে। তবে ৪৮ বছরেও বাংলাদেশ জামদানির কোনো পাইকারি ও স্থায়ী বাজার তৈরি করতে পারেনি। ফলে সারা দেশের খুচরো পাইকার ও ক্রেতাদের হাতে বন্দি শিল্পটি। অল্প পুঁজির, স্বল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত কেবল ব্যবসায়ীরা ভালো দাম দিতে চান না। তাদের কোনো ভালো বিপণন ব্যবস্থা নেই বলে বিক্রি কম, লাভও ওঠানামা করে। নকল জামদানির সঙ্গে আসল জামদানি এখন আর পেরে ওঠে না। ক্রেতারাও আসল নকল বোঝেন না। হাতে তৈরি জামদানি আর মেশিনে তৈরি জামদানি যে প্রায় হুবহু। নাইলন সুতোর মেশিনে তৈরি জামদানিগুলো আবার অনেক বেশি চটকদার। চোখে ভালো ফোটে। তবে কয়েক মাসের টানা ব্যবহারে শাড়ি ফেঁসে গিয়ে তার জাত চিনিয়ে দেয়, কিন্তু বর্ণিল দোকানের আলোতে তাদের আলাদা করে সাধ্য কার! ফলে সবচেয়ে ভালো কারিগর রেখেও লোকসানের দিকে চলেছেন আবুল কালাম আজাদ। তারও যুদ্ধ চলছে না। ফলে আসল-নকলের পার্থক্য খোলাসা করে দিলেন তিনি, ‘শাড়ির চাকচিক্যই আপনাকে আসল-নকল জামদানি চেনাবে। আমাদের তাঁতে বোনা জামদানি পুরোনো আমলের শাড়ির মতো দেখতে, গ্রামের মেয়েরা পরে বলে মনে হয়, কিন্তু এটিই খাঁটি। মেশিনে মুহূর্তে তৈরি জামদানির গায়ে হাত দিলে বুঝবেনÑ আঙুলে, হাতের পাতায় কেমন যেন ধার লাগছে; রেশমগুটির সুতোয় বোনা সত্যিকারের জামদানির সুতোয় বরং শান্তির প্রলেপ আছে, ধারের তো কোনো প্রশ্নই নেই।’ আগের সেই নবাব-রাজা-উজির নেই; কৃষকের ধানই বিক্রি হয় না। ফলে দামেও মার খেয়ে চলেছে কতকাল ধরে এই পণ্য। নকল শাড়িগুলো পাঁচ-ছয় হাজারে মেলে, মধ্যবিত্ত, উচ্চমধ্যবিত্তরা কেন জীবনে একবার ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা জামদানি শাড়ি বউ, মেয়েকে কিনে দেবেন? সেই ভালোবাসা কি আছে? নকশাও তো প্রায় একই। তারাও আসল ভেবে নকল কিনে চলেছেন। নকল জামদানিতেও খুশি থাকছেন। সত্যিকারের ক্রেতাদেরও দামের পার্থক্য বনছে না। বিপণিবিতানগুলোতে আসল-নকল পাশাপাশি আছে। অসৎ ব্যবসায়ীরা কখনো নকলকে আসল বলে অনেক লাভ করে বাজার ছোট করে ফেলছেন জামদানির। আসল শাড়ি স্যাম্পল (নমুনা) হয়ে টিকে আছে। লাভ জমছে ব্যবসায়ীদের, কারিগরের পেশা হারিয়ে যাচ্ছে অবহেলায়।

তবে আজাদ জানালেন, ‘এখনো ঈদ, পূজা, পহেলা বৈশাখই আমাদের ভরসা।’ তখন বিক্রি ভালো থাকে। তবে উৎসবকেন্দ্রিক হলে তো আর সারা বছরের তাঁতগুলো চলে না, ওরা তো আর থেমে থাকতে জানে না। ভালোবাসার এই বস্তু রূপগঞ্জের ঘরে ঘরে এখনো আছে। সেখানে আজাদের মতো মালিকরা হারকিতদের পাশে বসে নিজেরাই জামদানি বুনছেন। তার অধীনে কিন্তু ৫৬ জন কারিগর খাটছেন। ২৮টি তাঁত আছে। নিজেও জামদানির অপূর্ব নকশাশিল্পী। তার ভাবনা হয়, তারাই হয়তো শেষ প্রজন্ম হতে চলেছেন। তাদের ঘরের ছেলেমেয়েরা তো এখন আর পূর্ব পুরুষের ব্যবসায়, ঐতিহ্যে ভালোবাসা খুঁজে পাচ্ছেন না। এখনো নিষিদ্ধের সময় আছে, সেই মেশিনগুলোর শ্রমিকদের অন্য কাজে ব্যবহারের উপায় আছে; জামদানি শিল্পে বিশেষ ভর্তুকি, বিরাট দেশি-বিদেশি বাজার ধরার সুযোগ আছে তাহলেই এই শিল্প টিকে থাকবে আরও শত শত বছর। এই দেশের মাটি, মানুষ, জল, কাদা, ইতিহাস, ঐতিহ্য, লোককাহিনী, গল্পের বাহক জামদানি আমাদের দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বা জিআরই হয়েছে। ভারতও তাদের জামদানিকে এই স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। তবে আমাদের জামদানি বেঁচে থাকুক এই তার চাওয়া। যদিও মাসে

চার-পাঁচ লাখ টাকা লোকসান গুনে চলেছেন তিনি। এভাবে কদিন চলবে?

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত