উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ থাকবে কি না এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গতকাল শুক্রবার চাঁদপুর সার্কিট হাউজে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বেই জিপিএ করা হয় ৪-এর স্কেলে। আমাদের দেশেও উচ্চশিক্ষায় ৪-এর স্কেলে হয়। শুধু এইচএসসি পর্যন্ত ৫ স্কেলে আছে। তাই আমাদের দেশেও সব স্তরেই একই রকম করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে জিপিএ-৫ থাকবে কি না এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে চাহিদামতো বরাদ্দ মিলেছে। শুধু শিক্ষার মানোন্নয়নই নয়, অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকেও লক্ষ্য রাখা হয়েছে। জিপিএ-৫ উঠিয়ে আন্তর্জাতিকমান রক্ষা করে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দীপু মনি বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের শিক্ষা কারিকুলাম এগিয়ে নেওয়া এবং শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। আমাদের অনেক শিক্ষক এখনো কোনো প্রশিক্ষণ পাননি। প্রশিক্ষণের দিক দিয়ে আমরা অনেক পিছিয়ে। এসব কাজ যেন আমরা খুব দ্রুত করতে পারি, সেটিই আমাদের প্রচেষ্টা।
দীপু মনি বলেন, অতীতের চেয়ে এবারের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বেড়েছে আনুপাতিক হারে। শুধু তা-ই নয়, মোট বাজেটে আগের চেয়ে ৭ গুণ বরাদ্দ বেশি দেওয়া হয়েছে। যে কারণে এর মানোন্নয়নে আশানুরূপভাবে কাজ করা যাবে। তিনি বলেন, অনেক দেশে শিক্ষা খাতে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ বরাদ্দ দিলেও শেখ হাসিনার সরকার এ দেশে তা ১৭ শতাংশে উন্নীত করেছে। এটি দেশবাসীর জন্য একটি মাইলফলক।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র নাসিরউদ্দিন আহম্মদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম দুলাল, জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার জিহাদুল কবিরসহ অনেকে।
পরে শিক্ষামন্ত্রী বেশ কয়েকটি সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এর আগে দুপুরে ঢাকা থেকে চাঁদপুর পৌঁছালে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও আওয়ামী লীগের নেতারা ফুল দিয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
