বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক কর্তৃক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে কটূক্তির প্রতিবাদে এবং কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, বিচারপতি মানিক সরকারের উচ্ছিষ্টভোগী। অবান্তর, অসত্য ও বিকৃত বক্তব্য প্রদানের জন্য মানিকের মতো বিকারগ্রস্ত লোকদের মাঠে নামিয়েছে সরকার। এদেরকে জনগণ উচিত শিক্ষা দেবে।
রিজভী বলেন, সত্যকে কোনো দিনই মুছে ফেলা যাবে না। বরং আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীর বিকৃত ইতিহাসকেই জনগণ আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে। এ ধরনের কটূক্তিকারী ঘৃণিত ব্যক্তিদের সম্পর্কে জনগণকে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাবন্দী রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিহিংসার আগুন নেভাচ্ছেন। তাকে মুক্তি না দিয়ে বর্তমান অবৈধ নিষ্ঠুর সরকার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে জনগণ এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, গুম, খুন, ক্রসফায়ার, অপহরণ, ভয় ও শঙ্কার বর্তমান এই দুঃসময় অতিক্রম করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। ‘গণতন্ত্রের মা’ খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য রাজপথেই আমাদেরকে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, মহানগর উত্তর যুবদল সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীনসহ মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাকর্মীরা।
এর আগে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে নাইটঙ্গেল মোড় হয়ে আবার পার্টি অফিসে গিয়ে শেষ হয়।
এদিকে যুবদলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানী ঢাকার বাইরের নওগাঁ, বরগুনা, যশোর, কুড়িগ্রাম, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহ দক্ষিণ, গাইবান্ধা, রংপুর জেলা ও মহানগর, রাজশাহী জেলা ও মহানগর, চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
