ইয়ানমার কৃষিপ্রযুক্তি বাংলাদেশে

আপডেট : ২০ জুন ২০১৯, ১১:৩১ পিএম

জাপানের বিখ্যাত ইয়ানমার অ্যাগ্রোটেক কোম্পানির কৃষিপ্রযুক্তি বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে এসিআই মোটরস। বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে নতুন কলাকৌশল উদ্ভাবন ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবে প্রতিষ্ঠান দুটি।

গত বছর ইয়ানমার সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে এসিআই। ওই চুক্তি অনুযায়ী উভয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসিআই মোটরস ও ইয়ানমার অ্যাগ্রোটেক আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল। কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক ইয়ানমার অ্যাগ্রোটেকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসিআই ও ইয়ানমারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, নতুন এসব আধুনিক যন্ত্রপাতি এ দেশের কৃষির উৎপাদন ও কৃষকের আয় বাড়াতে অবদান রাখবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমি ও ইয়ানমার অ্যাগ্রিবিজনেসের প্রেসিডেন্ট হিরোআকি কিতাওকা বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। এসিআই চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আরিফ দৌলা, এসিআই মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফা হ আনসারী ও নির্বাহী পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাসসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এরই মধ্যে বাংলাদেশে বিক্রি করা ইয়ানমার হারভেস্টার ও ট্রান্সপ্লান্টারের ক্রেতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের জমি ও ফসল উপযোগী অত্যাধুনিক সেন্সরবিশিষ্ট ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার দ্বারা কাদা ও শুয়ে পড়া জমির ধান, গম কাটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দি করা যায় এবং প্রতি একরে জ্বালানি খরচ হয় মাত্র ৭-৮ লিটার ডিজেল। এতে খরচ বাঁচে ৬১ শতাংশ, শ্রম বাঁচে ৭০ শতাংশ। এছাড়া ইয়ানমার রাইস ট্রান্সপ্লান্টার দিয়ে এক ঘণ্টায় ৫০ শতাংশ জমিতে ধানের চারা রোপণ করা যায় এবং এতে জ্বালানি খরচ হয় ৫ লিটার ডিজেল। এতে খরচ বাঁচে ৩৭ শতাংশ ও শ্রম বাঁচে ৮০ শতাংশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত