প্রস্তাবিত বাজেট তামাক নিয়ন্ত্রণের পরিপন্থি। এতে লাভবান হবে নিম্নস্তরের সিগারেট কোম্পানি। একই সঙ্গে সিগারেট কোম্পানির আয় ৩১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের সহায়তায় প্রজ্ঞা ও আত্মাসহ কয়েকটি তামাকবিরোধী সংগঠনের উদ্যোগে ‘তামাক করবিষয়ক’ বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি এবং নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব পণ্য আরও সস্তা হয়ে যাবে। তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য তাই বিড়ি এবং নিম্নস্তরের সিগারেটসহ সব তামাকপণ্যের প্রকৃত মূল্য আরও বাড়িয়ে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যাওয়া উচিত।’
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম প্রায় অপরিবর্তিত থাকায় দামি স্তরগুলো থেকে বিশেষ করে মধ্যম এবং উচ্চস্তরের সিগারেট ভোক্তার একটি অংশ নিম্নস্তরে স্থানান্তরিত হবে। ফলে মূল্যবৃদ্ধি হলেও তা সার্বিকভাবে সিগারেটের ব্যবহার হ্রাসে কোনো প্রভাবই ফেলবে না।’
সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুল মালিক বলেন, ‘তামাক খাত থেকে যা আয় হয়, স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হয় তার তুলনায় অনেক বেশি। এ কারণেই তামাক নিয়ন্ত্রণ জরুরি।’
সংবাদ সম্মেলনে এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক ও আত্মার যুগ্ম আহ্বায়ক নাদিরা কিরণসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
