নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় আত্রাই নদীর উত্তর পাশের সড়ক দিয়ে সিংড়া থানা সদরের দূরত্ব প্রায় পঁচিশ কিলোমিটার। কিন্তু নদীর উত্তর দিকের এই রাস্তা আজও পাকা হয়নি। পারগুড়নই থেকে শুরু করে সিংড়া পর্যন্ত রয়েছে অনেকগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাইস্কুল ও মাদ্রাসা। বর্ষার দিনগুলোতে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-অভিভাবকদের দুর্দশা চরমে ওঠে। কাদা পানি ভেঙে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করা তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। রাস্তায় বিপুল খানাখন্দ। একজন সাইকেল চালককে সাইড দিতে গেলেও রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় পথচারীকে। সাইকেল না হয়ে সেটা যদি ভ্যান হয় তাহলে তাদের ক্রসিং দুরূহ; একজনকে রাস্তা ছেড়ে দিয়ে আরেকজন কোথায় দাঁড়াবে? আগে ইউনিয়ন কাউন্সিল থেকে ‘কাবিখা’সহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে
রাস্তায় মাটি ফেলে চলাচল উপযোগী করা হতো। দীর্ঘদিন এসব কাজও বন্ধ। উপরন্তু এই সড়ক দিয়ে নদীর ওপারের পাকা রাস্তায় যাওয়ার মতো কোনো ব্রিজ নেই। আছে দূরে দূরে নৌকায় পারাপারের ব্যবস্থা, খেয়াঘাট। যেগুলো সন্ধ্যায় বন্ধ হয়ে যায়। এলাকাবাসীর এই সমস্যাগুলো সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়ায় জনপ্রতিনিধিদের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ জনগণের। তারা প্রতিশ্রুতি চায় না, কাজ দেখতে চায়। জনসাধারণের আশা, রাস্তাঘাট পাকা হলে তাদের কর্মসংস্থান হবে, কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাবে। কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, যথাশিগগির সম্ভব রাস্তাটি মাটি ফেলে ভরাট করে পাকা করে জনগণের দুর্ভোগ দূর করুন।
রবিউল ফিরোজ, আত্রাই, নওগাঁ
