বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিলেন অ্যারন ফিঞ্চ। সোমবার লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শতক হাঁকিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ডেভিড ওয়ার্নারকে নিয়ে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন ফিঞ্চ। ওয়ার্নার ফিফটি করে ফেরেন। এরপর উসমান খাজা থিতু হয়েও লম্বা ইনিংস খেলতে পারেননি। তবে ফিঞ্চ তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি। যদি সেঞ্চুরি পূরণের ঠিক পরের বলেই প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়েছে তাকে।
এদিন স্বাগতিক বোলারদের হতাশায় ডুবিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ১২৩ রান যোগ করে ওয়ার্নার ও ফিঞ্চ জুটি। দুজনেই ফিফটি তুলে নেন। ২৩তম ওভারে ওয়ার্নারকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন মইন আলি।
ওয়ার্নার ৬১ বলে ৬ চারে ৫৩ রান করেছেন। এদিনের ইনিংসে সাকিব আল হাসানকে পেছনে ফেলে ফের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষে ওঠে গেছেন ওয়ার্নার।
দ্বিতীয় উইকেটে ফিঞ্চ ও খাজা জুটি যোগ করে ৫০ রান। ২৯ বলে ২৩ রান করে খাজা ফিরে যান। বেন স্টোকসের বলে বোল্ড হন তিনি।
এর পরপরই সেঞ্চুরি তুলে নেন ফিঞ্চ। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি। আর্চারের শিকার হওয়ার আগে ১১৬ বলে ১১ চার ও ২ ছক্কায় ১০০ রানের ইনিংসটি সাজান তিনি।
সাকিবকে তিনে ঠেলে আসরে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় ফিঞ্চ আছেন দ্বিতীয় স্থানে।
এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও ১ হারে অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট ১০। টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এ ম্যাচে জয় পেলে সেমির পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে তারা। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ৪ জয় ও ২ হারে ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৮। তাদের সেমিফাইনালে খেলার পথটা অবশ্য সহজ নয়। এ ম্যাচে হারালে জটিল সমীকরণের মধ্যে পরতে হতে তাদের।
এদিকে বিশ্বকাপে ১৯৯২ সালের পর আর অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারেনি ইংল্যান্ড। সেবার ফাইনালে ওঠার পথে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতেছিল ইংলিশরা। এরপর ২০০৩, ২০০৭ ও ২০১৫ আসরে অজিদের কাছে হেরেছে ইংল্যান্ড।
এই প্রতিবেদন লেখার সময় অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ৩৮ ওভার শেষে ২১২/৩। স্টিভ স্মিথ ১৯ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ১২ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।
