পর্যটন নগরী কক্সবাজার বিমানবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মিয়ানমার থেকে নির্যাতিত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের টেকনাফে আশ্রয় নেওয়ার পর এ বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিদেশিদের যাতায়াত আরও বেড়েছে। এ অবস্থায় বিমানবন্দরটির উন্নয়নে ২৫৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। গতকাল বুধবার কমিটির আহ্বায়াক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অসুস্থ থাকায় কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের (১ম পর্যায়) আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে সদর উপজেলার বাঁকখালী নদীর ওপর কস্তুরি ঘাটে ৫৯৫ মিটার পিসি বক্স গার্ডার ব্রিজ নির্মাণকাজের ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, প্রকল্পটি এলজিইডির মাধ্যমে মেসার্স হাল্লা মীর আকতার কনস্ট্রাকশন বাস্তবায়ন করবে। এতে সরকারের ব্যয় হবে ২৫৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, এছাড়া বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের রূপপুর-১ শীর্ষক প্রকল্পের ‘শ্রীকাউল ইস্ট-১’ অনুসন্ধান কূপ খনন কার্যক্রমের জন্য কূপ খনন এলাকার লট-১-এ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দুটি টয়লেট-বাথ ব্লক, সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল, কিচেন ঘর, নামাজ ঘর, ৫টি সিকিউরিটি পোস্ট ও নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণের জন্য একটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ পেয়েছে মেসার্স নীরু অ্যান্ড ব্রাদার্স। এতে মোট ব্যয় হবে ৫৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। একই মন্ত্রণালয়ের রূপপুর-২ প্রকল্পের জকিগঞ্জ-১ কূপ খনন কার্যক্রমের জন্য ক্রেসিং ক্রয়ের একটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৩ লাখ টাকা।
