কিউই পেস তোপে ভেঙে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডার। অ্যারন ফিঞ্চ, ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভ স্মিথ শুরুতেই ফিরলেন। তাতে অল্প রানেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ল অস্ট্রেলিয়া। তবে উসমান খাজা ও অ্যালেক্স ক্যারির ব্যাটে দারুণ ভাবে ঘুরে দাঁড়াল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
যদিও শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক করলেন ট্রেন্ট বোল্ট। তবে খাজা ও ক্যারি মিলে তার আগেই দলকে এনে দিয়েছেন ভালো পুঁজি।
রোববার লর্ডসে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৪৩ রানের পুঁজি গড়েছে অজিরা। উসমান খাজা সর্বোচ্চ ৮৮ রান করেন। অ্যালেক্স ক্যারির ব্যাট থেকে এসেছে ৭১ রান ।
এদিন পঞ্চম ওভারে অ্যারন ফিঞ্চকে ফিরিয়ে কিউইদের উইকেট উৎসবের শুরু করেছিলেন বোল্ট। এরপর লকি ফার্গুসন তোপ। ডেভিড ওয়ার্নার (১৬) ও স্টিভ স্মিথকে (৫) ফিরিয়ে দেন তিনি। তাতে ৪৬ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে অজিরা।
এরপর মার্কাস স্টয়নিসকে নিয়ে লড়ার চেষ্টা করছিলেন খাজা। কিন্তু স্টয়নিসকে ব্যক্তিগত ২১ রানে ফিরিয়ে দেন জিমি নিশাম। পরের ওভারে নিশাম ফেরান গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকেও (০)। ৯২ রানে ৫ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়া তখন রীতিমতো কাঁপছে।
সেখান থেকে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ক্যারি ও খাজার লড়াই। ষষ্ঠ উইকেটে ১০৭ রানের জুটি গড়েন এই দুজন।
আসর জুড়ে পার্টটাইম বোলার উইলিয়ামসন দারুণ কিছু ব্রেক থ্রো দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডকে। এদিনও খাজা ও ক্যারি জুটি ভেঙেছেন তিনি। ৭২ বলে ১১ চারে ৭১ রান করে ফিরেছেন ক্যারি। এরপর প্যাট কামিন্সের সঙ্গে খাজার ৪৪ রানের জুটি এগিয়ে নিয়েছে অজিদের।
তবে শেষটা সুন্দর হয়নি ট্রেন্ট বোল্টের জন্য। শেষ ওভারে খাজা, মিচেল স্টার্ক ও জেমস বেহরেনডোর্ফকে ফিরিয়ে আসরে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেন বোল্ট। এর আগে মোহাম্মদ শামি আসরে প্রথম বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছিলেন।
খাজা ১২৯ বলে ৫ চারে নিজের ইনিংস সাজিয়েছেন। কামিন্স ২১ রানে অপরাজিত ছিলেন। কিউইদের পক্ষে সর্বাধিক ৪ উইকেট নিয়েছেন বোল্ট। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন ফার্গুসন ও নিশাম।
দিবারাত্রির ম্যাচটি নিউজিল্যান্ডের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অস্ট্রেলিয়া দুই ম্যাচ হাতে রেখেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে। ৭ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১২।
সমান ম্যাচে ১১ পয়েন্ট কিউইদের। সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে অবশ্য আর মাত্র ১ পয়েন্ট হলেও চলে তাদের। তবে পরের ম্যাচটা নির্ভারভাবে খেলতে এ ম্যাচেই শেষ চার নিশ্চিত করতে চাইবে কিউইরা।
