একই ওভারে বিরাট কোহলি ও হার্দিক পান্ডিয়াকে ফিরিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। এবার তার তৃতীয় শিকার দিনেশ কার্তিক। বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাট করতে নামা ভারত তাতে ৪৭.২ ওভারে ২৯৮ রানে হারাল ৬ উইকেট।
রেকর্ড বলছে, মোস্তাফিজ যে ম্যাচে ৩ উইকেট পায়, সেই ম্যাচ হারে না বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার বার্মিংহামের এজবাস্টনে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল শক্ত ভিত গড়ে দিয়েছিলেন। বিরাট কোহলি উইকেটে এসেই তাই দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করলেন। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই ভারত অধিনায়ককে ফেরালেন মোস্তাফিজুর রহমান। একই ওভারে ফিরিয়ে দিলেন হার্ট হিটার ব্যাটসম্যান হার্দিক পান্ডিয়াকে।
মোস্তাফিজের জোড়া আঘাতে প্রাণ পায় বাংলাদেশ। ৩৯তম ওভারে দলীয় ২৩৭ রানে এক বলের ব্যবধানে ফেরেন কোহলি ও পান্ডিয়া। তাতে ২৩৭ রানে ৪ উইকেট হারাল ভারত। এর আগে সেঞ্চুরি করা রোহিত শর্মাকে ফেরান সৌম্য সরকার। ফিফটি তুলে নিয়ে আরো বড় স্কোরের আভাস দেওয়া লোকেশ রাহুলকে ফেরান রুবেল হোসেন।
ব্যক্তিগত ৯ রানে জীবন পেয়েছিলেন রোহিত শর্মা। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ ফেলেন তামিম ইকবাল। জীবন পেয়ে রোহিত শর্মা বড় ইনিংস খেলতে মোটেও ভুল করলেন না। তুলে নিলেন আসরে নিজের চতুর্থ সেঞ্চুরি।
বাংলাদেশকে ভুগিয়ে অবশেষে ৩০তম ওভারে ফিরেছেন রোহিত। সেটি সেঞ্চুরি ‘উপহার’ নিয়েই। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে ১৮০ রান যোগ করেন তিনি। বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত ব্রেক থ্রোটা এনে দিয়েছেন সৌম্য সরকার। ৯২ বলে ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ১০৪ রান করেন রোহিত।
সেঞ্চুরি করে রোহিত ফেরার পর ফিরেন আরেক ওপেনার লোকেশ রাহুলও। ৩৩তম ওভারে ৭৭ রান করে রুবেল হোসেনের শিকার হয়েছেন তিনি। এরপর কোহলি ব্যক্তিগত ২৬ ও পান্ডিয়া রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান। এরপর রিশভ পন্তকে ফেরান সাকিব আল হাসান।
ম্যাচটা বাংলাদেশের জন্য বাঁচা মরার লড়াই। সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হলে এ ম্যাচে জিততেই হবে টাইগারদের। এ ম্যাচের আগ পর্যন্ত ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টাইগারদের অবস্থান সপ্তম।
অন্যদিকে ভারতের জন্যও ম্যাচটা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ৭ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট তাদের। ম্যাচটি জিতলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত হবে দলটির। তবে হারলে শেষ চারের সমীকরণ কঠিন হয়ে যাবে তাদের।
