যুক্তরাষ্ট্রের কোরি গফ, বয়স মাত্র ১৫। এখনই একজন পুরোদস্তুর পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়। উইম্বলডনের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে যোগ্যতা অর্জন করেছেন মূল পর্বে খেলার। যোগ্যতা অর্জনের পর বলেছিলেন তার টেনিসে আসার মূল প্রেরণা উইলিয়ামস-বোনরা। সেই আইডলদের একজনকেই কিনা হারিয়ে হইচই বাধিয়ে দিয়েছেন এই অশে^তাঙ্গ। হারিয়েছেন তার চেয়ে বয়সে ২৪ বছরের বড় ভেনাসকে, ৬-৪, ৬-৪ গেমে।
যেন এক স্বপ্নের জয়। তাই তো জয়ের পর আনন্দে কোর্টেই কেঁদে ফেলেন গফ। পাঁচবারের উইম্বলডনজয়ী ভেনাসের সঙ্গে খেলার আগে গফ বলেছিলেন, আমার স্বপ্ন ছিল ভেনাসের সঙ্গে একই কোর্টে খেলা। খেললেন এবং পুরো ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ করে জিতলেন। ‘আমি কখনো ভাবিনি এটা হবে। আমি জানি না এই জয়কে কীভাবে ব্যাখ্যা করব। আমি এখনো ঘোরে আছি। সবার এমন বলার ভাগ্য হয় না’Ñ বলছিলেন গফ।
জয়ের পর হাত মেলানোর সময় তার অন্যতম আইডল ভেনাস কী বলেছেন তাও জানিয়েছেন এখনো হাইস্কুলের গ-ি না পেরোনো গফ, ‘ভেনাস অভিনন্দন জানিয়ে বলছিলেন, এগিয়ে যাও, শুভ কামনা রইল। আমি (গফ) তাকে বলি, ধন্যবাদ। আপনি যা করেছেন তার জন্য। আপনি না থাকলে আমি এখানে আসতে পারতাম না।’ গফের স্বপ্ন আরও বড়। বলেন, ‘আমার লক্ষ্য এটা (উইম্বলডন) জেতা। আমি মহান হতে চাই। আমার বয়স যখন আট বছর, বাবা বলেছিল পারব। আমি এখনো শতভাগ আত্মবিশ্বাসী নই, তবে কে জানে এরপর কী হবে।’
উইম্বলডনের নারী এককে ঘটেছে আরও এক অঘটন। একই দিনে উইম্বলডন থেকে বিদায় নিয়েছেন ওয়ার্ল্ড নাম্বার টু নাওমি ওসাকা। কাজাখস্তানের ইউলিয়া পুতিনেসতেভা ৭-৬(৭-৪), ৬-২-এ হারিয়েছেন ওসাকাকে। ইউএস ও অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন জাপানি তারকা ম্যাচের পর ভেঙে পড়েন। ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে পারছিলেন না ওসাকা। বলেন, ‘আমি কি যেতে পারি? আমার মনে হয় কেঁদে ফেলব।’
গফের স্বপ্ন আরও বড়। বলেন, ‘আমার লক্ষ্য এটা (উইম্বলডন) জেতা। আমি মহান হতে চাই। আমার বয়স যখন আট বছর, বাবা বলেছিল পারব। আমি এখনো শতভাগ আত্মবিশ্বাসী নই, তবে কে জানে এরপর কী হবে।
