ড্রোন’ জাদুকর ফয়সাল!ড্রোন’ জাদুকর ফয়সাল!

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৯, ০১:২৬ এএম

 ফয়সাল হোসেনের ড্রোন বিমান এমআইএসটিতে ৮৩ হাজার টাকার প্রথম পুরস্কার জিতেছে। চট্টগ্রাম ও কাদিরাবাদের সেনা কর্মকর্তা, রাজশাহীর র‌্যাব-৫’র জন্যও ড্রোন বানিয়ে দিয়েছেন। নাটক, বিজ্ঞাপন, সিনেমার ড্রোন বানান। এখন আগুন নেভানোর জন্য বানাচ্ছেন। লিখেছেন জাওয়াদুল আলম

সব শিশুর মতোই ছোটবেলায় খেলনাপাগল ছিলেন ফয়সাল হোসেন। ধীরে ধীরে আকাশে ওড়া বিমানের প্রতি আগ্রহ বাড়ল টিভি দেখে, মুক্ত আকাশে ওদের উড়তে দেখতে। বুদ্ধি যখন আরও বাড়ল, মনে প্রশ্ন এলো কীভাবে ওড়ে আকাশে? খেলনা বিমান খুলে খুলে দেখতে লাগলেন। সেই থেকে বিজ্ঞান বাসা বাঁধল তার মনে। পড়েছেন পুরনো ঢাকার বিখ্যাত সেন্ট গ্রেগরি উচ্চ বিদ্যালয়ে। পঞ্চম শ্রেণি থেকে বিজ্ঞান মেলায় অংশ নিচ্ছেন। বড় ভাই ফরহাদ  হোসেনের সাহায্যে তৈরি করেছেন সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল, রেলের স্বয়ংক্রিয় বেষ্টনীসহ নানা প্রকল্প। সৌরবিদুৎ ও রেল তাকে পুরস্কার এনে দিয়েছে। আরও প্রকল্প সার্টিফিকেট, সম্মাননা এনেছে। এই উৎসাহে ছোটবেলাতেই বিমান তৈরির দিকে ঝুঁকলেন।

২০০৯ সাল থেকে ইউটিউবে কীভাবে খেলনা বিমান বানানো হয় দেখা শুরু করলেন, মা-বাবার অনুমতিতে। আধুনিক, চালকহীন ড্রোন বিমানের প্রতি আগ্রহ জন্মাল। মাটি থেকে রিমোটের মাধ্যমে এটি চালাতে হয়। নানা কলকব্জা সম্পর্কে ধারণা নিয়ে জানলেন, একটি ভালো ড্রোন বানাতে প্রায় ১২ হাজার টাকা লাগবে। টিফিন, চলাফেরার খরচ বাঁচিয়ে আর মায়ের কাছ থেকে চেয়ে পাঁচ হাজার জমিয়েছিলেন, আরও সাত হাজার টাকার জন্য বাবার পেছনে ঘুরতে শুরু করলেন। সোহরাব হোসেন বিজ্ঞান প্রকল্পে পাকা ছেলেকে কদিনের মধ্যেই টাকা দিয়ে দিলেন। তিনি ড্রোন তৈরির জন্য পুরনো ঢাকার লোহা-লক্কড় ও যন্ত্রপাতির দোকানগুলোতে স্কুল ছুটি শেষে বেড়াতে লাগলেন। কিনে ফেললেন সব যন্ত্রাংশ। মুগদার বাড়িতে বসে কাজ শুরু করলেন।

ফয়সাল নকশা করে তৈরি করলেন জীবনের প্রথম বিমান। বিকেলের অবসরে বা ছুটির দিনে চলে যেতেন মুগদা গ্রিন মডেল টাউনে। বাসা থেকে অনেকটাই দূরে, প্রায় পাঁচ কিলোমিটার বা তিন মাইলেরও বেশি। তবে কিশোর ফয়সালের পরোয়া নেই। প্রথম বিমান তার আকাশে ভেসে থাকতে পারত না, কখনো বাঁকা, কখনো সোজা হয়ে উড়ত। পরে আবার ইউটিউব ও নিজের বিজ্ঞান বুদ্ধিতে কাজ শুরু করলেন। প্রায় দুই বছরের চেষ্টায় ভালোভাবে ড্রোনটি আকাশে উড়তে পারল। ভিডিওতে ধারণ করে আপলোড করলেন ইউটিউবে। ফেইসবুকে ভিডিওটি দেখে অনেক বাহবাও পেলেন।

তখন তিনি তরুণ। ভর্তি হয়েছেন ক্যাম্ব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের যাত্রাবাড়ী শাখার কলেজে। বাড়িতে কাজ করেন, পরে কলেজে বন্ধু-শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা হয়। জেনে ডাকলেন অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, ‘ফয়সাল তোমাকে দিয়েই আমাদের বিজ্ঞান মেলার শুরু হবে।’ বিজ্ঞান শিক্ষকদের সাহায্যে স্কুলের সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের ছয়টি দলে ভাগ করে মৌলিক বিজ্ঞান প্রকল্প তৈরি শেখাতে লাগলেন। বায়ুকল, সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল তৈরি শেখালেন। তাদের অন্য স্কুল-কলেজগুলোতেও বিজ্ঞান প্রকল্পের কাজ শুরু হলো। অবশেষে ক্যাম্ব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৭টি শাখায় প্রথম বিজ্ঞান মেলা হলো। বিরাট আয়োজনটির নেপথ্য নায়ক ছিলেন ফয়সাল ও তার কলেজের অধ্যক্ষ। তাতে ২০ থেকে ২৫টি প্রকল্প ছিল আর অংশ নিয়েছেন শ’খানেকের বেশি ছাত্রছাত্রী। 

আরও উৎসাহী ফয়সাল এরপর ড্রোন নিয়ে ভালোভাবে কাজ শুরু করলেন। ফেইসবুক ও ইউটিউব তাকে অনেক বিজ্ঞানী বন্ধু জুটিয়ে দিল। তাদের মধ্যে ড্রোন নিয়ে আলাপ হলো। বাসায়ও তাদের ভালোভাবে ড্রোন বানানো শিখতে ডেকে এনেছেন। বিশ^বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের ছাত্রছাত্রীরাও তাদের সর্বশেষ শিক্ষা প্রকল্প হিসেবে ড্রোন তৈরি শিখেছেন তার কাছে। বিনিময়ে আয়ও হয়েছে। মনে পড়ে, ২০১৫ সালের প্রথম ড্রোন তাকে ৩ হাজার টাকা এনে দিয়েছে। তখনও তিনি এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র। পরে ভাইয়ের পরামর্শে পঁাঁচ হাজারে ওয়েবভিত্তিক ড্রোন কোম্পানি ‘রোটর সলিউশন বাংলাদেশ (িি.িৎড়ঃড়ৎংড়ষঁঃরড়হনফ.পড়স) চালু করলেন। ব্যবসা সম্প্রসারণের কার্ড করলেন। ফেইসবুকে আছেন তারা জড়ঃড়ৎ ঝড়ষঁঃরড়হ – ইধহমষধফবংয নামে। প্রতিষ্ঠানের পুরো ৪৭ হাজার টাকাই তাদের দুই ভাইয়ের পকেটের। বেশিভাগই ফরহাদের। বিদেশ থেকেও ড্রোনের যন্ত্রাংশ এনেছেন তারা। শুরুতে থাকলেন কলেজের বন্ধু এনায়েত সৈকত ও আমিনুল ইসলাম। তারা ফেইসবুক পেইজ ওয়েবসাইট পরিচালনা করে রোটর সলিউশনের পরিচিতি ও যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। পরে চলে গেছেন। হাল না ছেড়ে ফয়সাল কাজ করেছেন। বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে তাই তাকে নিয়ে গল্প হলো। ২০১৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষার আগের ১৫ দিনের ছুটিতে এমআইএসটির (মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি) ছাত্রছাত্রীদের রোবটিকস ক্লাবের ‘রোবোলিউশন’ নামের রোবট প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেন। ড্রোন তৈরিতে খুব ভালো এইচএসসির এই ছাত্রটি বিশেষ অনুমতিতে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রতিযোগিতায় এলেন। পুরো এক দিন বয়সে বড়, দলগত প্রতিযোগীদের বিপক্ষে একা লড়লেন। তার ড্রোনই একমাত্র ট্র্যাক শেষ করতে পারল। তাই ৮৩ হাজার টাকার প্রথম পুরস্কার নিয়ে ফয়সাল বাড়ি ফিরলেন। তবে অহংকার হবে বলে মা-বাবা ভালো করেছ, আরও ভালো করতে হবে; এবার পরীক্ষায় মন দাওÑ বলে তাকে পড়ায় ফেরালেন। তখন তার মনে পড়ল, কোনোদিন তারা তাকে অহংকারের সুযোগ দেন না। বরং উৎসাহ দেন, এখনো তাই চলছে।

এইচএসসির পর আবার ড্রোনের ভুবনে চলে এলেন। এক সপ্তাহ টানা কাজ করলেন। রোবোলিউশনের প্রতিযোগী ও আগ্রহী দর্শকরাই তার কাছ থেকে অর্ডারে ড্রোন বানিয়ে নিলেন। কাজের চাপে চার-পাঁচ ঘণ্টার বেশি ঘুমাতে পারতেন না। সেগুলো বেশ ভালো ছিলÑ রাতে আকাশে চলতে পারে নাইট ভিশন (ইনফ্রারেড মানে বর্ণালি আলোর ছটা আছে), জমিতে উড়ে বীজ বোনার কৃষিজ বা এগ্রিকালচারাল ড্রোনও বানিয়ে দিয়েছিলেন। ফেইসবুকে সেই ছবিগুলো দেখে রুয়েটের (রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়) ড্রোন কর্মশালার উদ্যোক্তারা দাওয়াত দিয়ে নিলেন। গুগল ডেভেলপার গ্রুপের রুয়েট শাখার সেই আয়োজনে ছাত্রছাত্রীদের ড্রোন বানানোর মৌলিক নিয়মগুলো শেখালেন।

ভর্তি হলেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ^বিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগে। ড্রোন তাকে ভালোভাবে বিশ^বিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তুত হতে দেয়নি। বিশ^বিদ্যালয়ের ক্লাস ও অন্যের জন্য ড্রোন বানিয়েই ক্যাম্পাস জীবন শুরু হলো। জুবায়ের হাসান মুন্না, জারিফ মাহবুব ও হাসান সরকার নামের তিন কলেজ পড়–য়া পুরনো পরিচয়ের, আগ্রহী ড্রোন নির্মাতাকে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আবার চালু করলেন। শুরু থেকেই তাদের কোনো বেতন নেই। চারজনে মিলে যা তৈরি করেন, সেগুলোর লাভের টাকা আনুপাতিক হারে ভাগ করে নেন। আরও পরিচিতি ও দক্ষতা বাড়তে লাগল সবার।

হঠাৎ একদিন ২০১৭ সালে ফয়সাল হোসেন ফোন পেলেন চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট থেকে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর। তারা ড্রোন কর্মশালার আয়োজন করবেন ও প্রশিক্ষক হতে হবে তাকে। আর্মি অফিসার্স মেসে থেকে তাদের অতিথি হয়ে পুরো ক্যান্টনমেন্ট ঘুরে দেখলেন, তাদের  বৈজ্ঞানিক কাজগুলোর সঙ্গে পরিচিত হলেন। পরে সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সামনে তাদের ইঞ্জিনিয়ারিং উইংয়ের অফিসারদের ড্রোনের কাজ ও সেগুলো কীভাবে তৈরি করতে হয়, শেখালেন। ফলে সেনা কর্মকর্তারা শান্তিরক্ষা মিশনে বিদেশে কাজ করতে গেলে, সহিংস কোনো স্থানে জাতিসংঘের হয়ে দায়িত্ব পালনের আগেই ড্রোন বানিয়ে ফেলতে পারবেন। তারা সেই স্থানের অবস্থা ও অপরাধীদের অবস্থান ইত্যাদি জানতে পারবেন সংযুক্ত ক্যামেরা ও রেকর্ডের মাধ্যমে।

র‌্যাব (র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন)-৫ গেল বছরের ফেব্রুয়ারিতে তাকে ডেকে নিয়ে গেল রাজশাহীতে। র‌্যাব কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুব আলম নিজেই ফয়সালকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মোবাইলে। অনুরোধ করেছেন নিরাপত্তা জোরদার ও বিভিন্ন এলাকা নজরদারির জন্য র‌্যাবকে ড্রোন বানিয়ে দিতে। বিশ^বিদ্যালয়ের ক্লাসের ফাঁকে বৃহস্পতিবার রাতে রওনা দিয়ে শনিবার ঢাকায় ফিরতেন। দুই মাস এভাবে থেকে ও কাজ করে তাদের জন্য ড্রোন তৈরি করেছেন। বছরের শেষে নাটোরের কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্টেও গিয়েছেন। সেনা অফিসারদের পুরনো ড্রোনটি ঠিক করে দিয়েছেন। সেই কাজেও বেশ মজা পেয়েছেন। পরে তাদের জন্য আরেকটি উন্নতমানের ড্রোন তৈরি করেছেন।             

নানা ধরনের ড্রোন বানাতে বানাতে বিজ্ঞানে আরও অনেক দক্ষ হয়েছেন ফয়সাল। ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৩৫ কিলোমিটারের বিরাট ত্রিমাত্রিক মানচিত্রও তৈরি করেছেন। জানালিহাট থেকে শেখ রাসেল ইকোপার্ক পর্যন্ত সেই রেল মানচিত্রে তিন বছর রেললাইন বসবে। ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললাইনের জন্য বাজেট অনুসারে ফয়সাল মাত্রচিত্র তৈরি করে দিয়েছেন। এই কাজ করতে গিয়ে তিনি জেনেছেন, ভবিষ্যতে আগের মতো এলাকা ঘুরে ছবি এঁকে বা তুলে মানচিত্র তৈরি করতে হবে না। ড্রোন ক্যামেরার ভিডিওই অঞ্চল ও ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরি করে দেবে। বিদেশে এভাবে কম্পিউটারে কাজ করা হয়। নাটক, সিনেমা, বিজ্ঞাপনের ড্রোনও তিনি অনেক তৈরি করেছেন। হেসে দিলেন, ‘এসব ড্রোনের বেশিরভাগই আমার করা।’ 

অসাধারণ দক্ষ এই ড্রোন নির্মাতা এখন সাড়ে তিন ঘণ্টাতেই সাধারণ মানের ড্রোন তৈরি করে ফেলেন। সেগুলো ১৫ হাজার টাকা বা তার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়। ক্যামেরাযুক্ত ড্রোনে তার খরচ ও সম্মানি দিতে হয় ৪০ হাজার বা তার চেয়েও বেশি। অনেক ক্ষেত্রেই ক্রেতাদের চাহিদা অনুসারে ড্রোন তৈরি করতে হয় বলে তিনি কোনো ড্রোনই এখন আর নিজের কাছে তৈরি করে রাখেন না। তবে তার দুঃখÑ ড্রোন ওড়ানোর জায়গা ঢাকায় তেমন নেই, ফলে আগামী দিনের আগ্রহী বিজ্ঞানীরা এই আবিষ্কারের দিকে ঝুঁকছেন না। নানা যন্ত্রাংশ যেমন মোটর, ফ্লাইট কন্ট্রোলার, ব্যাটারি, ট্রান্সমিটার, ক্যামেরা ইত্যাদি অনেক কিছুই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তাদের মতো উদ্যোক্তা ও বিজ্ঞানীদের পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হয় না। তারাও এগুতে পারেন না। বিদেশ থেকে সেগুলো আনতে অনেক কর দিতে হয়। কর কমানো ও দেশেই এসব যন্ত্রাংশের উৎপাদন শুরু হওয়া জরুরি। 

ড্রোন তৈরি ও সেগুলোর কাজ নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়াতে নর্থ সাউথ, এশিয়া প্যাসিফিক, নটর ডেমসহ বিভিন্ন কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ে কর্মশালা করেছেন তিনি। ড্রোনের যন্ত্রাংশ উৎপাদনেও কাজ করছেন ফয়সাল।

এখন এই নবীন বিজ্ঞানী ও ড্রোন নির্মাতা ফায়ার ফাইটিং বা অগ্নিনির্বাপণের জন্য বিশেষ ড্রোন তৈরি করছেন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মইগুলো ঢাকা ও বিভিন্ন এলাকার যেসব উঁচু ভবনে উঠতে পারে না, পানির পাইপও পৌঁছাতে পারে নাÑ সে সব স্থানে হঠাৎ আগুন লাগলে সাইরেন বাজাতে বাজাতে উড়ে যাবে তার ফায়ার ড্রোন। তারা ফায়ার বল নামের বিশেষ ধরনের বল ছুড়ে মারবে। আগুনে সেগুলো পড়ে ফেটে যাবে। পরে পানি ছড়িয়ে আগুন নিভবে। এক একটি ড্রোনে আট থেকে ১০টি বল থাকার ব্যবস্থা করছেন তিনি। আরও অনেক পরিকল্পনা আছে তার।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত