বজ্রপাতে গতকাল শনিবার পাবনার বেড়ায় একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া ও ফুলপুরে পৃথক বজ্রপাতে তিনজন, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় তিন দিনমজুর, সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বাবা-ছেলে এবং নেত্রকোনার কলমাকান্দায় মারা গেছেন তরুণ। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
পাবনা : বেড়ায় বজ্রপাতে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বেলা ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন উপজেলার চাকলা ইউনিয়নের পাচুরিয়া গ্রামের মোতালেব সরদার (৫৫), তার দুই ছেলে ফরিদ সরদার (২২) ও শরিফ
সরদার (১৮) এবং একই গ্রামের রহম আলী (৫৫)। পাচুরিয়া স্কুল মাঠের পাশে ডোবায় পাট জাগ দেওয়ার সময় তাদের ওপর বজ্রপাত হয়।
ময়মনসিংহ : ফুলবাড়িয়া ও ফুলপুর উপজেলায় নিহত হয়েছেন চৈইত কোচ (২২), জামাল উদ্দিন (৪০) ও সোহাগ মিয়া (২৪)। বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। বিলে মাছ ধরা, ধানের চারা নিয়ে মাঠে যাওয়া এবং খামারের হাঁসকে খাবার দেওয়ার সময় বজ্রপাত তাদের আঘাত করে।
চুয়াডাঙ্গা : আলমডাঙ্গার খোরদ গ্রামে বিকেলে বজ্রপাতে নিহত হন মেহেরপুরের কলাইডাঙ্গার মকবুল হোসেনের ছেলে আলামিন (৩০), গোলাম রসুলের ছেলে হুদা (৩২) ও একই গ্রামের বরকত আলীর ছেলে হামিদুল ইসলাম (৩০)। বৃষ্টির মধ্যে ট্রাকে কলা তোলার সময় ওই বজ্রপাতে আহত অপর চারজনকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জ : তাহিরপুরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বজ্রপাতে মারা গেছেন মানিকখিলা গ্রামের মৃত নিয়াজ আলীর ছেলে হারিদুল ইসলাম (৪৭) ও তার ছেলে তারা মিয়া (১২)। উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের মানিকখিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চিংড়ি খামারে গেলে বজ্রপাতের শিকার হন তারা।
নেত্রকোনা : কলমাকান্দার রংছাতি ইউনিয়নের সন্ন্যাসীপাড়ায় সকালে গরুকে ঘাস খাওয়াতে যাওয়ার পথে এনামুল হক (২২) নামে এক যুবক বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। এনামুল ওই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
