চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার পর সড়কে খানাখন্দের দুর্ভোগ

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৯, ০১:২৬ এএম

টানা ১০ দিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরজুড়ে জলাবদ্ধতার পর পানি নেমে গেলেও দুর্দশা কমেনি যান চলাচল ও চলাফেরায়। ভারী বর্ষণে খানাখন্দে, ক্ষত-বিক্ষত বিভিন্ন সড়ক। সড়কে ছোট-বড় গর্তের কারণে যান চলাচলে বেহালদশার পাশাপাশি পথচারীদেরও দুর্ভোগের শেষ নেই।

গত সোমবার বহদ্দারহাট-চকবাজার-আন্দরকিল্লা পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়, এই ৩ দশমিক ৬ কিলোমিটার সড়কে শতাধিক বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচলে বেগ পেতে হচ্ছে চালকদের। দুর্ভোগে পড়েছেন রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রীরা। বহদ্দারহাট থেকে জিইসি মোড় পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার সড়কেও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দুই নম্বর গেট থেকে চকবাজার পর্যন্ত সড়কেও সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। একই অবস্থা নগরীর অন্যান্য প্রায় সব সড়কে।

সামছুল করিম নামে এক বাসযাত্রী বলেন, ‘বৃষ্টির সময় বহদ্দারহাট থেকে আন্দরকিল্লা আসতে বাদুরতলা, কাপাসগোলা, তেলিপট্টি ও চকবাজার মোড়ে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এখন বৃষ্টির পানি নেমে গেলেও পুরো সড়কেই খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত হয়েছে। যাতায়াতে খুব কষ্ট পাচ্ছি। জানি না এসব গর্ত ও সড়ক কখন সংস্কার করা হবে।’

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এসব সড়কে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের বিষয় চিন্তা করে জরুরি ভিত্তিতে গর্ত ভরাট ও সড়ক সংস্কারের কাজ চলছে। এরই মধ্যে বিমানবন্দর সড়ক, টাইগারপাস-লালখানবাজার, শেখ মুজিব রোড, চট্টগ্রাম কলেজ রোড, কোতোয়ালি থেকে ফিরিঙ্গীবাজার, সল্টগোলা, ক্রসিং, সাগরিকা রিংরোড, জাকির হোসেন রোডে গর্ত ভরাট ও সড়ক সংস্কার করা হচ্ছে।’ শিগগিরই আরও বেশকিছু সড়ক সংস্কার করা হবে বলে জানান তিনি।

গত ৭ জুলাই থেকে ভারী বর্ষণ ও থেমে থেমে হওয়া বৃষ্টিতে দুবার চট্টগ্রাম নগরী পানিতে ডুবে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন মানুষ। এ সময় নগরীর বিভিন্ন সড়কে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি ওঠে। বাসাবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকানে পানি ঢুকে পড়ে। এমনকি মুরাদপুর থেকে লালখানবাজার পর্যন্ত আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের কয়েকটি অংশেও জলজটের সৃষ্টি হয়। গত রবিবার থেকে বৃষ্টি কমে এলে স্বস্তি ফেরে নগরবাসীর।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত