বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট : ২০ জুলাই ২০১৯, ০৩:৩৯ এএম

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বাবার বিরুদ্ধে মাদ্রাসাছাত্রী কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে এ অভিযোগ করে কিশোরীটি। এরপর থেকে তার দিনমজুর বাবা আবুল কাশেম (৪৩) পলাতক রয়েছে।

ওই মাদ্রাসাছাত্রী পুলিশকে জানায়, আবুল কাশেম গত ২ জুলাই রাতে জোরপূর্বক প্রথমবার তাকে ধর্ষণ করে। একইভাবে আরও ২-৩ বার ধর্ষণের শিকার হয় সে। সবশেষ গত ১২ জুলাই গভীর রাতে ছোট ভাইবোন নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে আবারও ধর্ষণ করে তার বাবা। সে চিৎকার-চেঁচামেচি করতে চাইলে তার মা তার মুখ চেপে ধরত। ধর্ষণের কথা প্রকাশ করলে তাকে হত্যার ভয় দেখানো হতো। ঘটনাটি প্রথমে তার দাদিকে বলে। কিন্তু দাদি কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় গত ১৪ জুলাই তার চাচা ওমর ফারুককে জানায় মাদ্রাসাছাত্রী।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. আবদুল হান্নান বলেন, বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর চাচা ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর মেয়ে ও তার মাকে থানায় নিয়ে আসেন তারা।

রামগড় থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনির হোসেন বলেন, মেয়ে ও তার মাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মেয়েটি একাধিকবার তার বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছে এবং মা বিষয়টি স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের শিকার : ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার দুধসর গ্রামে প্রথম শ্রেণিতে পড়–য়া এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে শৈলকুপা থানায় মামলা হয়েছে। শিশুটির মা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে আইসক্রিম খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালায় গ্রামের বিপ্লব হোসেন (১৬) নামে এক তরুণ। বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঝিনাইদহের সহকারী পুলিশ সুপার (শৈলকুপা সার্কেল) আরিফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মদনে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, শিক্ষক গ্রেপ্তার : নেত্রকোনার মদন উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পৌর সদরে স্কুল অব এক্সিলেন্সে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মদন উপজেলার পৌর সদরের স্কুল অব এক্সিলেন্সের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিক্ষক মিলনায়তনে পানি খেতে গেলে গণিত শিক্ষক বিষয়ের অসিত চক্রবর্তী যৌন নিপীড়ন করে। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে প্রধান শিক্ষক নুরে আলম সিদ্দিকীকে জানানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পাওয়ায় ওই শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত