ন্যূনতম মজুরি কাঠামো হচ্ছে ২৩ খাতে

আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৯, ১০:২৭ পিএম

২৩ খাতে ন্যূনতম মজুরি কাঠামো প্রণয়ন করা হচ্ছে। এসব খাতে মজুরি নির্ধারণের পর পাঁচ বছর পার হওয়ায় শ্রম মন্ত্রণালয় এসব উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে সাতটি খাতের শ্রমিকদের মজুরি কাঠামো প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। বাকি ১৬টি খাতের মজুরি নির্ধারণে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিদের নাম পাওয়ার পরই কাজ শুরু হবে।

গত ২৬ জুন শ্রম মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের মাসিক সমন্বয় সভার কার্যবিবরণী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, মজুরি নির্ধারণের পর ৫ বছর পার হয়েছে এমন ২৩টি শিল্প খাতের মধ্যে রি-রোলিং মিলস, রাইস মিলস, প্লাস্টিক শিল্প খাতের মজুরি পুনর্নির্ধারণে কাজ করছে নিম্নতম মজুরি বোর্ড। ব্যক্তিমালিকানাধীন পাটকলের মজুরি কাঠামোর খসড়া তৈরি করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন সড়ক পরিবহন খাতের মজুরি কাঠামোর ভেটিং সম্পন্ন হয়েছে। এসআরও নম্বরের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। গ্লাস অ্যান্ড সিলিকেট খাতের ন্যূনতম মজুরি কাঠামো প্রণয়ন করে ছাপানোর জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। সিকিউরিটি সার্ভিস নামে একটি নতুন খাতে নিয়োজিত শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাকি ১৬টি শিল্প খাতের মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধির নাম পাওয়া সাপেক্ষে কাজ শুরু হবে।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বিদায়ী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১২ হাজার ৮১৬টি কারখানার লাইসেন্স দিয়েছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। এই সময় ২০ হাজার ৬৯৯টি কারখানার লাইসেন্স নবায়ন করেছে তারা। গত অর্থবছর ১ হাজার ৬৫৬টি কারখানার শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কল্যাণ বিষয়ে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের জন্য ১৮৪টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে, ৮০টি আবেদনের বিপরীতে নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাকি ১৮টি আবেদন বাতিল করা হয়েছে। শ্রম আদালতে পুঞ্জীভূত মামলার সংখ্যা ১৭ হাজার ৭৫৪টি উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত