বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান প্রতি বছরই ঘটা করে জন্মদিন পালন করেন। নিজের জন্মদিনকে ঘিরে প্রচুর খরচ করেন তিনি। গত বছরও জন্মদিনে পুরো এফডিসি বিয়েবাড়ির মতো সাজিয়েছিলেন। গরু জবাই করে খাইয়েছেন শিল্পী ও কলাকুশলীদের। সন্ধ্যায় বাজি পুড়িয়েছেন। তবে এবারের জন্মদিনে তেমন কোনো আয়োজনই করেননি।
জানতে চাইলে দেশ রূপান্তরকে জায়েদ খান বলেন, ‘সারা দেশের মানুষ যখন পানি বন্দী। বন্যার কারণে যখন অনেকের বেঁচে থাকাটাই প্রশ্নের মুখে তখন আমি ঘটা করে জন্মদিনের আয়োজন কীভাবে করি? তাই এবার কোনো আয়োজন করিনি। ইচ্ছে আছে জন্মদিনে অযথা খরচ না করে এই টাকা বন্যার্তদের সহায়তায় ব্যয় করব।’
জায়েদ খান বলেন, ‘সাদামাটাভাবেই দিনটি পালন করেছি। তবে সবার শুভেচ্ছায় আমি আপ্লুত। বিকেলে কিছু এতিম শিশুদের খাইয়েছি।’
জায়েদ খান আরও বলেন, ‘দেশের এই দুর্যোগে প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসা উচিত। সারা দেশে ডেঙ্গু ও গুজবে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা আজ মানব বন্ধন করেছি। শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে জনসচেতনতামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে মহম্মদ হাননান পরিচালিত ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে জায়েদ খানের চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয়। এরপর মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কাজের মানুষ’ এবং মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘মন ছুঁয়েছে মন’ ছবিতে অভিনয় করেন। ২০১০ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত এফ আই মানিক পরিচালিত ‘আমার স্বপ্ন আমার সংসার’ এবং মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘মায়ের চোখ’ ও ‘রিকশাওয়ালার ছেলে’ ছবি। ২০১২ সালে জায়েদ খানকে শাবনূরের বিপরীতে প্রধান অভিনেতা হিসেবে ‘আত্মগোপন’ ছবিতে দেখা যায়। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো ‘অদৃশ্য শত্রু’, ‘প্রেম করব তোমার সঙ্গে’, ‘দাবাং’, ‘মাই নেম ইজ সিমি’, ‘তোকে ভালোবাসতেই হবে’, ‘ভালোবাসা সীমাহীন’, ‘নগর মাস্তান’। ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অন্তর জ্বালা’ ছবিতে অভিনয় করে সকল শ্রেণির দর্শকদের নজরে আসেন জায়েদ খান।
