ডিসেম্বরে মাঠে গড়াবে বিপিএলের সপ্তম আসর। যে আসর নিয়ে রবিবার জরুরি বৈঠকে বসেছিল বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৈঠক শেষ জানানো হয়েছে আগের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে বিসিবির। তাই পুনরায় চুক্তি করতে হবে তাদের। যে দলগুলো অনেক খেলোয়াড়দের সঙ্গে চুক্তি সেরেছিল সেটিরও তাই কোনো ভিত্তি নেই।
বিসিবি কার্যালয়ে বৈঠক শেষে এদিন সংবাদমাধ্যমে কথা বলেন বিসিবির সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুব আনাম। সংবাদমাধ্যমকে তিনি অবহিত করেন বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো। পরে ইমেইল বার্তায় বিসিবি জানিয়েছে সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে বিস্তারিত।
উল্লেখ যোগ্য যে সিদ্ধান্তগুলো এসেছে তা তুলে ধরা হলো-
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং সাতটি বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকপক্ষের মধ্যে ষষ্ঠ আসর পর্যন্ত চুক্তি করা হয়েছিল।
- সে অনুসারে বিপিএলের ষষ্ঠ আসর যেটি ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত হয়, সেই আসর পর্যন্তই প্রথম সার্কেল (বিসিবির সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর চুক্তি) পূর্ণ হয়েছে। এখন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে নতুন চুক্তির আওতায় আসতে হবে।
- বিপিএলের ৩.১ ধারা অনুযায়ী চুক্তি নবায়নের এবং পারস্পরিক সমঝোতা ও শর্ত নিয়ে আলোচনার জন্য ষষ্ঠ আসর পর্যন্ত অংশগ্রহণ করা দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানাবে বিপিএল গভর্নিং বডি।
- ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে বিসিবির পরের সার্কেলের চুক্তি হবে চার বছর মেয়াদে। অর্থাৎ সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম আসর পর্যন্ত থাকবে সেই চুক্তি।
- এর আগে ‘চিটাগং ভাইকিংস’ অংশ নিতে অনাগ্রহের কথা জানিয়ে দিয়েছিল। তাদের বদলে একটি ও নতুন আরেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি খুঁজছে বিসিবি। নতুন দুই ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য এরই মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিসিবি।
- নতুন করে সব শুরুর কারণে প্লেয়ার ড্রাফট/নিলাম শুরু হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করার পর।
- বিপিএলের সপ্তম আসরের জন্য তালিকাভুক্ত দেশি ও বিদেশি খেলোয়াড়দের জন্য উন্মুক্ত প্লেয়ার ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে।
- খেলোয়াড়দের রিটেইন করার সুযোগ কার্যকর হবে অষ্টম আসর থেকে।
