নোয়াখালীতে গৃহবধূ, ঝিনাইদহে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০১৯, ০২:২৮ এএম

নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে এক গৃহবধূকে অপহরণের পর দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রবিবার পৌর এলাকার ভানুয়াই এলাকা থেকে গৃহকর্মীর কাজ শেষে ফেরার সময় রাত ৮টার দিকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। এরপর রাতভর ধর্ষণের পর পালিয়ে যায় বখাটেরা। এ সময় গৃহবধূর ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল নিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে চারজনকে আসামি করে সোনাইমুড়ি থানায় মামলা করেছেন ওই গৃহবধূ।

সোনাইমুড়ি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এমদাদ হোসেন জানান, ভানুয়াই এলাকায় ওহাব কোম্পানির ভবনের তিনতলায় মেসে রান্নার কাজ করতেন ওই গৃহবধূ। কাজ শেষে রাত ৮টায় বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় শান্ত (২০), জুবায়েরসহ (২৪) অজ্ঞাত আরও দুই যুবক তার গতিরোধ করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর এলাকার আবিদ মিয়ার কবরস্থানের দক্ষিণ পাশে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। বুধবার গৃহবধূকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে একাধিক টিম মাঠে রয়েছে এবং দ্রুত ধর্ষকদের গ্রেপ্তার করতে সোনাইমুড়ি থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণের  পরে পুকুরে ফেলে দিয়েছে বখাটেরা। গত বুধবার রাতে হাসিলবাগ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখান থেকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলো কালীগঞ্জের বেলাট দৌলতপুর গ্রামের প্রিন্স হোসেন ও কোটচাঁদপুর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের নয়ন হোসেন।

ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে পাশের বাড়ি যাওয়ার জন্য বের হয়। এ সময় বাড়ির পেছনে আগে থেকে ওত পেতে থাকা বেলাট গ্রামের প্রিন্স হোসেন ও কোটচাঁদপুরের বলরামপুর গ্রামের নয়ন হোসেনসহ তিনজন তার মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে যায়। এরপর চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটিকে অচেতন অবস্থায় পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়।

এদিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার খাজুরা গ্রামে  আরেক সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্রী গণর্ধষণ মামলার আসামি রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গত বুধবার গভীর রাতে কালীগঞ্জ রামনগর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঈদের দিন সন্ধ্যায় শহরের পাশের বাড়িতে মাকে খুঁজতে বের হয়েছিল ওই ছাত্রী। এ সময় এলাকার বাদশা, রুহুল আমীন ও মুন্নু তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত