হাম, হেপাটাইটিস-বি, এইচআইভি ও সিফিলিসের মতো ব্যাধি মোকাবিলায় অগ্রগতি অর্জন করায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয় দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সম্মাননা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক কমিটির সত্তরতম অধিবেশনে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ডব্লিউএইচও’র পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কা আগেই স্বীকৃতি অর্জন করেছে। হেপাটাইটিস-বি নিয়ন্ত্রণে এই অঞ্চলের প্রথম চারটি দেশ হয়েছে বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল এবং থাইল্যান্ড। এছাড়া এইচআইভি এবং সিফিলিসের হাত থেকে মা ও সন্তানের সংক্রমণ দূরীকরণের জন্য স্বীকৃতি অর্জন করেছে মালদ্বীপ। অধিবেশনে ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং ছয় দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, রোগ সম্পূর্ণ নির্মূলকরণ সবসময়ই আমাদের বড় এজেন্ডা। যখন আমি টেকসই উদ্ভাবনের কথা বলি তখন গ্রীষ্মকালীন রোগের মতো রোগ নির্মূল করার প্রচেষ্টা বাড়ানো এর বড় উদ্দেশ্য থাকে।
অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. রাজিথা সেনারতেœকে হাম-বিলোপের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। হেপাটাইটিস-বি নিয়ন্ত্রণে নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী উপেন্দ্র যাদব, ভুটানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেকেন ওয়াংমোকে, থাইল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য উপমন্ত্রী সাথিত পাইতেচা এবং বাংলাদেশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইদুর রহমানকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
এইচআইভি ও সিফিলিসের হাত থেকে মা ও শিশু স্বাস্থ্যরক্ষায় মালদ্বীপের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল্লা আমীনকে প্রশংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। মালদ্বীপ এই অঞ্চলের দ্বিতীয় দেশ, যা থাইল্যান্ডের পরে এই কীর্তি অর্জন করেছে। আঞ্চলিক কমিটির অধিবেশন চলাকালীন টানা চতুর্থ বারের মতো সদস্য দেশগুলোকে জনস্বাস্থ্য অর্জনের পুরস্কতর প্রদান করা হয়েছে। ঐক্যবদ্ধ ও সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার কারণে এই অঞ্চলের দেশগুলোর অগ্রাধিকার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যাগুলো যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জন করছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
