মোগল আমলের ঐতিহ্যবাহী কোম্পানিগঞ্জ সেতুটি অযত্ন-অবহেলায় ধ্বংসের পথে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে খসে পড়ছে এর ইট-সুরকি। স্থানীয়দের দাবি, ঐতিহ্যবাহী সেতুটি সংরক্ষণে কর্র্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির নিচ দিয়ে বয়ে যাওয়া বলেশ্বর খাল অনেক আগেই স্থানীয়রা ভরাট করে ফেলেছে। খালের ওপর নির্মাণ করা হয়েছে মার্কেট। সেই ভরাট জায়গার মধ্য দিয়ে প্রায় সাত-আট বছর আগে সেতুটির দুই পাশে বিকল্প রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। পানাম নগরে অবস্থিত পানাম সেতুর সমসাময়িক সময়ে এ সেতুটি নির্মিত। এটি নির্মাণে জাফরি ইট ও চুন-সুরকি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে বছরের পর বছর অপরিকল্পিতভাবে সংস্কারের কারণে সেতুটি ইট ও সিমেন্ট ব্যবহার করে প্রাচীন অবয়ব অনেকটাই বদলে ফেলা হয়েছে।
জানা যায়, ইংরেজ শাসন আমলে এ সেতুটি সংস্কার করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এর নাম দেয় কোম্পানিগঞ্জকা পুল। তবে স্থানীয়ভাবে এটি ‘পিঠাওয়ালির সেতু’ হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। লোকমুখে প্রচলিত আছে, স্থানীয় এক নিঃসন্তান পিঠা বিক্রেতা নারী নিজের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করেছিলেন বলে এর নাম হয়েছে ‘পিঠাওয়ালির সেতু’।
সেতুটি সংরক্ষণের বিষয়ে উপজেলা প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের ভাণ্ডাররক্ষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, সেতুটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতাধীন নয়। একে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
