নয়াপল্টনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৩:৩৫ এএম

আদালতে ফয়সালার পর ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিল আয়োজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিল আয়োজনে গঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য শামসুজ্জামান দুদু। গতকাল শনিবার দেশ রূপান্তরকে এ কথা বলেন বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বিএনপির সহযোগী সংগঠনটির ষষ্ঠ কাউন্সিল হওয়ার কথা ছিল গতকাল। গত বৃহস্পতিবার ছাত্রদলের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির এক নেতার আবেদনে আদালত কাউন্সিল স্থগিত করে। এদিকে গতকাল দিনভর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন ছাত্রদলের কাউন্সিলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।

ছাত্রদলের কাউন্সিল আয়োজনে গঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য দুদু গতকাল দেশ রূপান্তরকে বলেন,আদালতের নির্দেশের কারণে আপাতত কাউন্সিল স্থগিত থাকবে। আদালতের ফয়সালা পাওয়ার পর নতুন করে কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গতকাল সকাল থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। সারা দিনই তারা দফায় দফায় মিছিল করেন। তাদের স্লোগানে দিনভর মুখরিত ছিল কার্যালয়ের আশপাশের এলাকা। তবে বিএনপি কার্যালয়ের চারতলায় ছাত্রদলের কার্যালয় তালাবদ্ধ ছিল। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরাও সেখানে আসেননি।

কাউন্সিল স্থগিতে ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. আমান উল্লাহ মামলা করলেও এর পেছনে সরকারের ইন্ধন আছেÑ এমন অভিযোগ করে ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সরকার মনে করেছিল ছাত্রদলের কাউন্সিল বাধাগ্রস্ত হলে নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে যাবে। কিন্তু এতে দলের নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙেনি বরং ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আরও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কাউন্সিল সাময়িক স্থগিত হলেও থেমে থাকবে না।’

আরেক সভাপতি প্রার্থী হাফিজুর রহমান বলেন, ‘কাউন্সিল স্থগিত সরকারের ষড়যন্ত্র। এতে করে ছাত্রদলের কোনো ক্ষতি হয়নি; বরং ছাত্রদলের ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তৃণমূলের প্রত্যাশা যেকোনো মূল্যে কাউন্সিল করা দরকার। সব বাধাবিপত্তি দূর করে শিগগিরই তৃণমূলের নেতাদের ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নির্বাচিত করতে হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত