স্বামী জামা কিনে দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর পেটে লাথি মেরে হত্যা করেছে শ্বশুর। এ ঘটনা দেখে ফেলায় তিন বছরের নাতনিকেও গলাটিপে হত্যা করে সে। গত শনিবার দুপুরে নোয়াখালীর সুধারামের কাজিরচর এলাকা থেকে গৃহবধূ ফারহানা বেগম পান্না (২৪) ও তার তিন বছরের কন্যা শারমিনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আইয়ুব আলীকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে দিয়েছে প্রতিবেশীরা। পরে ওই পরিবারের আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর বাবা আবুল কালাম বাদী হয়ে
আইয়ুব আলী, দেবর পারভেজ, রাজু ও ননদ রুমানাকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, এক সপ্তাহ আগে কালাম পান্নাকে একটি ব্লাউজ ও একটি পেটিকোট কিনে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আইয়ুব আলী পান্নাকে মারধর করে। একপর্যায়ে পান্নার তলপেটে লাথি দিলে ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান। এ ঘটনা তিন বছরের শিশু শারমিন দেখে ফেলায় তাকেও আইয়ুব আলী গলাটিপে হত্যা করে ঘরে তালা দিয়ে রাখে।
সুধারাম থানার ওসি জানান, পুলিশ শনিবার বিকেল ৩টায় আইয়ুব আলীর বাড়ি থেকে পান্না ও তার মেয়ে শারমিনের লাশ উদ্ধার করে। গতকাল রবিবার লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
