শুধু দেখার জন্যই নেওয়া মেহেদি-ইয়াসিনদের!

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:৫৫ পিএম

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের দলে চমক হিসেবে এসেছিলেন পেসার ইয়াসিন আরাফাত মিশু। কিন্তু দুই ম্যাচের একটিতেও সুযোগ হয়নি তার। এই তরুণ পিঠ ও পাঁজরের ব্যথায় ভুগছিলেন বলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের পরই বাড়তি একজন পেসার হিসেবে দলে যোগ করা হয় আবু হায়দার রনিকে।

তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের পর ইয়াসিন ও আবু হয়দার দুজনই দল থেকে বাদ পড়েছেন কোনো ম্যাচ না খেলেই। একই পরিণতি দেড় বছর পর জাতীয় দলে ডাক পাওয়া স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদি হাসানের।

চট্টগ্রাম পর্বের দলে এই তিনজনকে বাদ দিয়ে যোগ করা হয়েছে পাঁচজনকে। যাদের তিনজন- নাজমুল হোসেন শান্ত, মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন টি-টোয়েন্টিতে। আর দলে ফিরেছেন রুবেল হোসেন ও শফিউল ইসলাম।

হুটহাট তরুণ ক্রিকেটারদের দলে নেওয়া ও ছেঁটে ফেলার সংস্কৃতি বাংলাদেশে নতুন নয়। চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে নির্বাচকেরা যে বাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করল আরেকবার।

স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে অনেক। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু মেহেদি, ইয়াসিন ও আবু হায়দারের না খেলেই বাদ পড়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যে ব্যাখ্যার অর্থ দাঁড়ায় মেহেদি-ইয়াসিনদের শুধু দেখার জন্যই দলে ডাকা।

একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে নান্নু বলেন, ‘ইয়াসিনের পিঠে আর পাঁজরে ব্যথা। ওকে রাখার উপায় ছিল না। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ইয়াসিনের ইনজুরির কারণেই কাভার হিসেবে রনিকে (আবু হায়দার) নেওয়া হয়েছিল। ম্যাচের দিন কোনো পেসার হুট করে ইনজুরিতে পড়তে পারত। সে জন্যই বিকল্প হিসেবে রনি ছিল। আর মেহেদিকে নেওয়াই হয়েছিল স্পিনিং অলরাউন্ডারের জায়গায় ব্যাক আপ হিসেবে, যদি কারো ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতো।’

কিন্তু এদের কারো খেলার কথা ছিল না বলে জানান নান্নু, ‘ওদের কারো আসলে সেভাবে খেলার কথা ছিল না। কোচ দেখেছেন। ওদেরকে এখন ‘এ’ দল, এইচপি দলে রাখব।’

শুধু দেখার জন্য জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া প্রচলন বোধ হয় একমাত্র বাংলাদেশেই। চট্টগ্রাম পর্বে ডাক পাওয়া শান্ত আগে টি-টোয়েন্টি না খেললেও টেস্ট ও ওয়ানডে খেলেছেন। তবে নাঈম শেখ ও বিপ্লব এই প্রথম ডাক পেলেন। তাদের ম্যাচ খেলার ভাগ্য হবে তো? নাকি দেখার জন্যই তাদের নেওয়া হলো দলে, সেই প্রশ্ন থাকছেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত