ফেনসিডিলসহ ছবি তুলে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়!

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:১৮ এএম

ফেনসিডিলসহ ছবি তুলে মামলার ভয় দেখিয়ে দুই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানার এএসআই শওকত আলী, কনস্টেবল জিল্লুল করিম ও হাসান আলীকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের প্রত্যাহার করা হয় বলে জানান জোরারগঞ্জ থানার ওসি মফিজুর রহমান। লিখিত অভিযোগ থেকে জানা

যায়, গত রবিবার রাতে জোরারগঞ্জ থানার মেহেদীনগর গ্রামের ফয়েজ আহম্মদের ছেলে জামশেদ আলম বন্ধু নূর হোসেনকে নিয়ে উপজেলার শুভপুর ব্রিজ এলাকায় একজনের সঙ্গে দেখা করতে যান। ব্রিজের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন এমন সময় এএসআই শওকত দুই কনস্টেবলকে নিয়ে তাদের দেহ তল্লাশি শুরু করেন। কিছু না পেয়ে এক কনস্টেবল ব্রিজের নিচ থেকে দুটি ফেনসিডিলের বোতল নিয়ে আসে। পরে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যান। থানায় গিয়ে ফেনসিডিলের বোতল সামনে রেখে ছবি তুলে এবং মামলার ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করেন শকওত। তারা এক লাখ টাকা দিতে রাজি হন। পরে শওকতকে এক লাখ টাকা দিয়ে তারা ছাড়া পান।

অভিযোগের বিষয়ে শওকত বলেন, ‘জামশেদ ও নুর হোসেন নামে দুজনকে বেশি রাতে শুভপুর ব্রিজ এলাকায় ঘুরতে দেখে থানায় নিয়ে আসি। এরপর ওসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে তাদের ছেড়ে দেই। এ জন্য কোনো টাকা-পয়সা লেনদেন হয়নি। আমাকে হয়রানি করতে তারা মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন।’ ওসি মফিজুর রহমান জানান, তিনি সে রাতে অফিসের বাইরে ছিলেন। সার্কেল অফিসে অভিযোগের পর সার্কেল এএসপি প্রাথমিক তদন্ত শেষে এএসআই শওকতসহ তিনজনকে ক্লোজড করেছেন।

মিরসরাই-জোরারগঞ্জ থানা সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার সামছুউদ্দিন মো. ছালেহ আহম্মদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তের পর তাদের ক্লোজড করা হয়েছে। এখন বিভাগীয় তদন্ত হবে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত